গোল্ডেন রাইস (জিএমও শস্য) চাষ করার বুদ্ধিদাতা খলনায়করা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের করাও সময়ের দাবি। গোল্ডেন রাইস নিয়ে ইতোমধ্যে সচেতন মহল পত্র-পত্রিকায়, সোস্যাল নেটওয়ার্কে বেশ সমালোচনা করছেন। প্রশ্নের মুখে পড়ছেন সরকারের মন্ত্রীরা। কিন্তু ঘাপটি মেরে বসে আছে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়া বরপুত্ররা। গোল্ডেন রাইস উৎপাদনের অনুমোদন প্রশ্নের মুখে পড়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, “বিরি-র (বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) অনুরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কমিটি অন ক্রপ বায়োটেকনোলজি গত ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই ধান উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে।” এই বিরি হচ্ছে ধান গবেষণার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বর্তমানে এটি চালাচ্ছে কারা? সরকারকে অনুরোধ জানানো এই বিরি-র মহাপরিচালক হচ্ছে ড. জীবন কুমার বিশ্বাস এবং এর সচিব হচ্ছে শ্যামল কান্তি ঘোষ।
সঙ্গত কারণেই বলতে হয়, স্বাধীনতার পর থেকে ধান গবেষণার এই প্রতিষ্ঠানটিতে ২৬ জন মহাপরিচালক হয়েছেন, যার মধ্যে ১ জনও হিন্দু ছিলেন না। কিন্তু ২৭ নম্বরে জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস এসেই মুসলিম নিধনের মতোই উদ্দেশ্যমূলক পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাসের উপরে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে আছে ‘শ্যামল কান্তি ঘোষ’ নামক আরেক গোঁড়া হিন্দু। এরাই প্রকৃত সত্য গোপন রেখে ইতিবাচক ভঙ্গির উপস্থাপনা করে দেশে এসব বিষাক্ত ধান উৎপাদন করার অনুমোদন নিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চাইছে। এটাতো সর্বজন বিদিত সত্য যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের কলকব্জা নাড়ে সচিব ও মন্ত্রীদের পরিচালকরা। প্রকৃতপক্ষে এরা দেশ ও জাতির শত্রু। কোটি কোটি মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে এরাই। সুতরাং এদের চিহ্নিত করে কঠোরভাবে বিচারের আওতায় এনে প্রয়োজনে এদের মৃত্যুদ- দেয়া উচিত।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে