চুষিলদের নির্লজ্জ ডাবল ষ্ট্যাণ্ডার্ড এবং মুসলিম বিদ্বেষ


সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে সংগীতকার আল্লারাখা রহমান (এ আর রহমান) কে নিন্দা ও গালিগালাজ করছে তথাকথিত চুষিলরা। এই চুষিলদের মধ্যে ২ ধরণের লোকেরা আছে – হিন্দু ও ভণ্ড নাস্তিক ( ছুপা হিন্দু)।

 

সংগীতকার আল্লারাখা রহমান (এ আর রহমান) কে তথাকথিত চুষিলরা নিন্দা ও গালিগালাজ করছে , তার কারণ হল তার একজন কন্যা ( খাদিজা রহমান) হিজাবকে বেছে নিয়েছে জীবনশৈলী হিসাবে এবং সেটা তাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব হবে কিভাবে ?

 

প্রথমে আসা যাক হিন্দুদের প্রসঙ্গে। এরা নিজেদের পোগোতিশীল বলে যা শুনে ঘোড়াও হাসবে, এই সেদিন পর্যন্ত তারা সতীদাহ করত অর্থাৎ হিন্দু মেয়েদের ঠাণ্ডা মাথায় পুড়িয়ে মারত। এখনো হিন্দুরা মেয়েদের দেবদাসী বানিয়ে রাখে যেটা আসলে হল মেয়েদের যৌনদাসত্ব ও বেশ্যাবৃত্তি। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং নেপালে হিন্দুরা মেয়েদের বাড়ি থেকে বের করে দেয় পিরিয়ডের সময়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিয়ের রাতে মেয়েদের সতীত্বের পরীক্ষা দিতে শ্বশুর বাড়ির লোকেদের কাছে রক্তমাখা বেড শিট দেখিয়ে। যেটা নিয়ে হিন্দু মেয়েরা আন্দোলন করছে।

 

এই নির্লজ্জ হিন্দুরা নাকি নারীর অধিকারের কথা বলে ! হাস্যকর।

 

এবার আসা যাক ভণ্ড নাস্তিকদের ( ছুপা হিন্দু)। প্রসঙ্গে। তারা নাকি পোগোতিশীল এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার সমর্থক !!! অথচ একজন নারী যখন হিজাবকে বেছে নিয়েছে তখন তাদের পিছনে আগুন লেগে গেছে। আসলে তারা উলঙ্গপনা ও অশ্লীলতার সমর্থক এবং সেই সাথে তারা রন্ধ্রে রন্ধ্রে মুসলিম বিদ্বেষী। এরা নিজেরাই পোগোতিশীলতার ঘোমটার আড়ালে নিজেদের লুকিয়ে রাখে। কিছুদিন আগে বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণাতে নাস্তিকদের বলা হয়েছে – “সাইকোপ্যাথ” । সেটা যে কতটা সত্যি তা প্রমাণ হয়ে গেল আরও একবার।

 

নাস্তিকদের সমস্যা আসলে অন্য কোন ধর্ম নিয়ে নেই, তারা আসলে মুসলিম বিদ্বেষী। যার কারণে নিজেদের নাস্তিক দাবী করেও দুর্গা পূজা করে, সরস্বতী পূজা করে, শিবের লিঙ্গ পূজা করে। এই ধরণের নির্লজ্জ ও ডাবল ষ্ট্যাণ্ডার্ড চুষিলদের ঘেউ ঘেউ দেখে তাদের করুণা ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার নেই।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে