ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম- ক্বিয়ামত পর্যন্তই ‘প্রাণীর ছবি’ হারাম থাকবে…


যদি আপনি কাউকে বলেন- দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম; ব্যস, আপনাকে শুনতে হবে- সারাবিশ্ব জুড়েই চলছে, এমন কোনো মানুষ নেই যে এ কাজ করছে না, দেশের বড় বড় আলেমরা করছে, এটা না করলে নাগরিক সুবিধা পাওয়া যাবে না- এ ধরণের শতশত কথা।
তাদের এ ধরনের কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে- তাদের দৃষ্টিতে ইসলাম কি গণতন্ত্রের মত? অর্থাৎ মানুষ যা চায়, মানুষের যেভাবে সুবিধা, যেভাবে করলে সবাই খুশি থাকবে- সেটাই কি ইসলাম? কখনোই নয়। বরং দ্বীন ইসলাম হলো- মহান আল্লাহপাক উনার ওহীর মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি নাযিলকৃত একমাত্র মনোনীত, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও পরিপূর্ণ দ্বীন, যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। সুবহানাল্লাহ।
তাহলে বুঝাই যাচ্ছে, দ্বীন ইসলাম উনার কোনো আদেশ নিষেধের উপর কোনো জিন-ইনসানের হাত দেয়ার অধিকার নেই। বিশ্বের তামাম মানুষও যদি একদিকে চলে যায়, তবুও দ্বীন ইসলাম উনার কোনো বিষয়ের চুল পরিমাণও পরিবর্তন, পরিবর্ধন করা যাবে না। তাহলে কি করে ছবি তোলার মতো একটি সুস্পষ্ট হারাম ও কঠিন গুণাহর কাজ জায়িয হতে পারে? কখনোই নয়।
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ঘোষণা করেন, “আজ আমি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি সন্তুষ্ট রইলাম।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩) সুবহানাল্লাহ। দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ- এটা মহান আল্লাহ পাক উনার ঘোষণা, তাই এখানে কোনো কিছু প্রবেশ বা বের করার মতো নেই, কেউ যদি তা করার চেষ্টা করে তাহলে সে ইসলাম থেকে খারিজ তথা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে। নাউযুুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে