‘ছবি তোলা হারাম’ ফতোয়া দিতে গিয়ে দেওবন্দী মালানাদের নতুন কুফরী


সারা জীবন হারাম ছবি তুলে, টেলিভিশনে প্রোগ্রাম করে, হিন্দুদের গোলামী করতে করতে অবশেষে হিন্দুদের খাছ দালাল দেওবন্দীদের শুভবোধ উদয় হয়েছে। এখন তারা ছবিকে নাজায়িজ ও পাপ বলে ফতোয়া দিয়েছে । গত ০৪.১১.১৪৩৪ হিজরী দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতে আবদুল কাসিম নোমানি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলে, “ছবি তোলা নাজায়িজ। শরীয়তের বিচারে পরিচয়পত্র কিংবা পাসপোর্ট ব্যবহারের প্রয়োজন ছাড়া মুসলমানেরা ছবি তুলতে পারে না।” (নাউযুবিল্লাহ) অথচ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ সহ অসংখ্য হাদীছ শরীফ -এ উল্লেখ আছে যে, প্রত্যেক ছবি তোলনেওয়ালা, ছবি তোলানে ওয়ালা জাহান্নামী। তাহলে দেওবন্দীর মালানারা পরিচয় পত্র কিংবা পাসপোর্ট ব্যবহারে ছবি তোলা জায়িয কোথায় পেল? তাদের উপর কি নতুন করে কাদিয়ানীর মত ওহী নাযিল হচ্ছে? মুলত ছবি তোলা সর্ববস্থায় হারাম; হোক সেটা দুনিয়াবী প্রয়োজনে কিংবা শখের বসে, হোক সেটা সম্মান করার জন্য কিংবা অসস্মান করার জন্য।

তারা আরোও বলেছে যে, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মৃতি হিসেবে রাখার জন্য ছবি তোলা কিংবা বিয়ে বা অন্যান্য অনুষ্ঠান ভিডিও করার অনুমতি দেয় না ইসলাম।” কিন্তু তারা হরহামেশাই ছবি তোলে,ভিডিও করে, টেলিভিশনের প্রোগ্রাম করে বেড়ায়। নিজেরা হারাম কাজ করে আবার অন্যদেরকে সেই হারাম কাজ করতে নিষেধ করে ফতোয়া দেয় – এরা কোন ধরনের মুসলমান?

সউদী আরবের পবিত্র নগর মক্কা শরীফ-এ ছবি তুলতে এবং পবিত্র হজ্জের দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের অনুমোদন হলেও ভারতে এমন ফতোয়া কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে নোমানি বলে, “তারা এটা করুক। আমরা এটা অনুমোদন করি না। তারা যা করে, তার সবকিছুই সঠিক নয়।” এ বক্তব্য দ্বারা তারা সউদী সরকারের হারাম কাজে সমর্থন জানিয়েছে। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দুনিয়ার কোন এক প্রান্তে যদি কোন পাপ কাজ হয়, আর অপর প্রান্তে যদি কেউ তা সমর্থন করে তবে সেও সেই গুনাহের শামীল হবে।” সুতরাং সউদী সরকারের হারাম কাজে সমর্থন দেয়ার কারণে দেওবন্দী মালানাদের আমলনামায় সমান গুণাহ লেখা হবে।
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে দেওবন্দীদের হারাম, কুফরী থেকে হিফাযত করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে