ছবি নিয়ে দু‘জন বান্দবীর গল্প:-


এক জায়গায় দুজন বান্ধবী ছিল, তারা দুজন দেখতে প্রায় একই চেহারার ছিল৤ কেউ দেখলেই তাদেরকে বলতো তারা যমজ বোন রকম অনেকের ধারণা শুনে তারা দুজনেই হাসাহাসি করতো একবার তাদের ‍যখন ৮ম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষা সময় তাদের পরপর দু‘টি সামনা সামনি বেঞ্চে  সিট পড়ে৤ পরীক্ষা কয়েকটা দেয়ার পর হঠাৎ একজন শিক্ষক এসে বলেনএখানে দুজন যমজ বোন রয়েছে যারা একজনের খাতা অন্যজনে দেখে দেখে লিখে থাকে এই যমজ বোন দুজন দাঁড়াও তারাও স্বাভাবিকভাবে ভাবলো যমজ বোন? দেখতে হবে তো! সেটা ভাবতে না ভাবতেই শিক্ষক তাদের পাশে এসে বলেনএই তোমরা দাঁড়াচ্ছো না কেন? দাঁড়াওতারা তো রীতিমতো হতবাক! আমরা যমজ বোন? তারা বলে স্যার আমরা যমজ বোন না স্যার বললেন, মিথ্যা বলার দরকার নেইতোমাদেরকে সতর্ক করছি আর কোন অভিযোগ যেন না পাই তাহলে তোমাদের বহিষ্কার করা হবে৤

ঠিক তারা সেটা ভেবে চিন্তা করল, যখন উপবৃত্তির জন্য ছবির প্রয়োজন হলো তারা দুজনের পৃথক ছবি না দিয়ে একজনের ছবি দিয়েই চালিয়ে দিবে৤ তখন একজনের ছবি দুজনের নামে দিয়ে দিল, দেখলো না তাতে কোনো সমস্যা হয়নি তাদের জন্য বোর্ড থেকে নির্ধারিত উপ বৃত্তির টাকা চলে আসল৤

এখন কথা হলো-পাঠক ভাই বোনগন! তাদের মতো অনেকের হয়তো বোনের সাথে বোন, মায়ের সাথে মেয়ে বা একজনের সাথে অন্যজনের ছবি মিলতে পারে প্রশ্ন হলোছবির ব্যবস্থা প্রতারণা করতে না পারার জন্য বা সঠিক চিহ্নিতকরণের জন্য, তাই তো? এখন ছবি যেখানে আমাদের দুজনের পৃথকতা নিরূপণ করতে পারেনি, তাহলে রকম হাজারো প্রতারণার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সরকারের এই ছবির ব্যবস্থাকে নীরব ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে এতদ্বসত্ত্বেও দেশে কেন এই ছবির ব্যবস্থা? কেন দেশে এই ছবির প্রয়োজনীয়তা? সবকিছুর মূলে কেন এই হারাম নাজায়িয বেপর্দামূলক ছবি?অথচ নিখুত সনাক্তকরণের জায়িজ বিষয় ফিঙার প্রিন্টের ব্যাবস্হা রয়েছে যা সুলভ মুল্য ওবটে৤তাহলে পাঠকরা বলুন কেন আমরা ছবি তুলে জাহান্নামী হবো?কাজেই আসুন আমরা সকলেই বজ্র কন্ঠে প্রতিবাদী হয়ে হারাম না যায়িয ছবিকে ‘না” বলি৤

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে