ছবি নয়; ফিঙ্গারপ্রিন্ট চালু করতে হবে


পবিত্র বুখারী শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন ওই ব্যক্তির সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে, যে ছবি তোলে।” নাঊযুবিল্লাহ!

অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে আরো কঠিনভাবে যে, “যে ছবি তুলে, তোলায়, আঁকে, রাখে প্রত্যেকেই জাহান্নামী।” নাঊযুবিল্লাহ!
সত্যিকার অর্থে মুসলমান দাবিদার যারা তারা এতো নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও কিভাবে ছবি তুলতে পারে। হাক্বীক্বী মুসলমান তো ছবি তুলতে পারে না। যদি তুলে তাহলে তারা তো পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকার করছে। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারী কি মুসলমান থাকবে?
কোনো মুসলমান কি জাহান্নামী হতে চায়? তা তো চায় না। তাহলে কেন ছবি তুলে? কারণ ছবি তুলার গুনাহই তো তাকে জাহান্নামে পৌঁছে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।
নাকি সে পবিত্র ইসলামী শরীয়ত তথা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমা, ক্বিয়াস শরীফ উনাদের কিছু মেনে আর কিছু না মেনেই মুসলমান থাকতে চায়?
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কি কিতাবের কিছু মানবে আর কিছু মানবে না? (তা তো হতে পারে না।)” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৫)
সুতারং ছবির পরিবর্তে হালাল পন্থা অবলম্বন করতে পারে। তা হলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট। ছবিকে নিয়ে জালিয়াতি বা পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। কোনো সময়ই হারাম বিষয় দিয়ে ভালো কিছু আসতে পারে না। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “নাপাক থেকে তার অনুরূপ ছাড়া কিছু আসতে পারে না।” (পবিত্র সূরা রাদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৮)
কাজেই হারাম ছবিকে বর্জন করে, হালালপন্থা ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রচলন করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে