ছিয়ামের সংযম ইফতার আয়োজনেও দেখাতে হবে


সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ, যা শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সমাজের হালচাল দেখে আত্মশুদ্ধির কোনো নিদর্শন পাওয়া মুশকিল। অসৎ ব্যবসায়ীরা মুসলমানগণের প্রয়োজনকে পুঁজি বানিয়ে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ইফতারের নামে চলে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকা-। আয়োজন হচ্ছে বিশাল রকমারী ইফতার। এসব পার্টিতে যারা যায় তাদের অধিকাংশ মানুষ ছিয়াম পালন করে না। এভাবে মহা পবিত্র ছিয়ামকে ভিন্ন পথে চালানো হয়।
ইফতারের নামে চলে রকমারী খাদ্যের প্রতিযোগিতা। অতিরিক্ত ভোজন এবং খাদ্যের হয় অপচয়। এর মধ্যে সংযমের বালাই নেই। গরিব মানুষ যেখানে দ্রব্যমূল্যের উচ্চ হারের জন্য মানসম্মত ইফতারী করতে পারে না, সেখানে ইফতারীর অপচয় কি পবিত্র ইসলামী শরীয়তসম্মত? এই ইফতারী অপচয় না করে যদি গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়, তবেই ইফতারীর সার্থকতা হবে। প্রকৃত অর্থে সংযম সাধন হবে। ধর্মের প্রতিটি অনুষ্ঠানকে মানুষ তাদের স্বীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। এভাবেই তারা উক্ত ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় রহমত, বরকত হারায়। ভুল পথে বিপুল অর্থ ব্যয় করে মূল থেকে বিচ্ছিন্ন রয়ে যায়। ভূরিভোজ বা নাম প্রচারের জন্য প্রচলিত ইফতার, পারিবারিক বা সামাজিকভাবে পালন ছওয়াব উনার জায়গায় পাপ অর্জিত হয়।
Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে