ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই


অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই।”
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- কোন রোগকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করা, বলা, প্রচার-প্রসার করা সবই কাট্টা কুফরী ও শিরকীর অন্তর্ভূক্ত। আর যে বা যারা কুফরী-শিরকী করবে, তারা কাফির ও মুশরিক হিসেবে পরিগণিত হবে। কাজেই, যারা করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে প্রচার-প্রসার করছে, তারা কুফরী-শিরকী আক্বীদায় বিশ্বাসী হয়েছে। তাদেরকে এ থেকে খালিছ তওবা করতে হবে।
নচেৎ কাদিয়ানী, বাহাই ও ৭২টি বাতিল ফিরক্বার ন্যায় কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে কাফির-মুশরিকদের প্রতি আপতিত খোদায়ী মহা গজব করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ হিসেবে প্রচার-প্রসার করা হচ্ছে। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসংখ্যা পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই।” এটাই সম্মানিত ইসলামী আক্বীদা। সুবহানাল্লাহ! চিকিৎসাশাস্ত্রের পাঠ্যসূচিতে অদ্যাবধি সম্মানিত ইসলামী আক্বীদা সংক্রান্ত ইলম না থাকার কারণে করোনা ভাইরাসকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলে প্রচার করছে। নাউযুবিল্লাহ! যা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে শিরক ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এরূপ কুফরী আক্বীদা হতে বিরত থাকা সকলের জন্য ফরয।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু আছে বলে বিশ্বাস করা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার খিলাফ। কারণ বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফে উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোনো রোগই সংক্রামক নয়। পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছুই নেই এবং পবিত্র ছফর শরীফ মাসে কোনো অশুভ নেই। তখন একজন বেদুঈন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে আমার উটের এ অবস্থা হলো কেন? যে উটগুলো হরিণের মতো তরু-তাজা ছিল, যেগুলো ময়দানে স্বাধীনভাবে বিচরণ করত। এমতাবস্থায় কোথা থেকে এক চর্মরোগাক্রান্ত উট এসে সে উটের পালে মিলিত হলো এবং উটগুলোকে চর্মরোগে আক্রান্ত করে দিলো। ফলে এ উটগুলোও খুজলিযুক্ত হলো। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, আচ্ছা তাহলে প্রথম উটটির চর্মরোগ কিভাবে হলো? অর্থাৎ প্রথমটি যেভাবে খুজলিযুক্ত হয়েছিলো ঠিক পরবর্তী উটগুলোও সেভাবেই খুজলিযুক্ত হয়েছে।”অর্থাৎ ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই। কাফিরদের কুফরী ও মুসলমান চিকিৎসকরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আক্বাঈদ সম্পর্কে অজ্ঞ ও গাফিল থাকার কারণে রোগকে ছোঁয়াচে বলে শিরক সম্বলিত একটি ভ্রান্ত আক্বীদাকে মানুষের মধ্যে প্রচার করে মুসলমানদের ঈমান ও আক্বীদা নষ্ট করে যাচ্ছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস হচ্ছে দ্বীন ইসলাম বিদ্বেষী, মুসলিম বিদ্বেষীদের উপর এক কঠিন গযব। কারণ, তারা প্রায়সময়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছে, প্রদর্শনী করেছে এবং প্রায়ই করতো। প্রতিযোগিতার আয়োজনও করেছে এবং করতো। সাথে সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মান মুবারক সম্পর্কেও নানা অশ্লীল ও অশালীন মন্তব্য প্রকাশ করেছে, বলেছে, লেখেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! ওরা মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণে বাধা দিয়েছে, মসজিদ-মাদরাসা ভেঙ্গেছে, নামাজ ও রোজায় বাধা দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই এই কাফিরগুলো এখন করোনা গযবে পড়ে রোগী, ডাক্তারসহ সবগুলো বিকৃত চেহারা নিয়ে তারা একে একে মারা যাচ্ছে, অর্থাৎ জাহান্নামী হচ্ছে এবং হতেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসসহ হলো পবিত্র দ্বীন ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলিমবিদ্বেষী চীন থেকে শুরু করে বিশ্বের সকল কাফিরগোষ্ঠীর উপর নাযিল হওয়া অত্যন্ত কঠিন এক গযব। এই গযবে পড়ে বিশ্বের সকল কুফরী শক্তিগুলো আজ কুপোকাত। তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- কোন রোগকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করা, বলা, প্রচার-প্রসার করা সবই কুফরী ও শিরকীর অন্তর্ভূক্ত। আর যে বা যারা কুফরী-শিরকী করবে, তারা কাফির ও মুশরিক হিসেবে পরিগণিত হবে। কাজেই, যারা করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে প্রচার-প্রসার করছে, তারা কুফরী-শিরকী আক্বীদায় বিশ্বাসী হয়েছে। তাদেরকে এ থেকে খালিছ তওবা করতে হবে। নচেৎ কাদিয়ানী, বাহাই ও ৭২টি বাতিল ফিরক্বার ন্যায় কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে