জনগণ গণতন্ত্রের রঙ্গিন চশমায় শুধু ঘুঘু দেখে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখে না


সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ছিলো, ‘দেশে পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না।’ অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু এদেশে চলবে না। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এসব মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন একের পর এক পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরুদ্ধে কাজ চলছে সরকারী-বেসরকারীভাবে।
রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের দেশে ইসলামবিদ্বেষীদের এসব আস্ফালন কী করে সম্ভব হতে পারে? এসব মুনাফিকরা কী করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়?
মূলত, এসবই গণতন্ত্রের পরিণতি। কেননা- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনি যদি অধিকাংশের রায়কে মেনে নেন, তাহলে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বিচ্যুত করে ছাড়বে।” (পবিত্র সূরা আন’আম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)
কিন্তু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী গণতন্ত্র বলছে, ‘অধিকাংশের রায়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’ নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ অধিকাংশ লোক যদি মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুমমের বিরুদ্ধে রায় দেয় তাহলে গণতন্ত্রে সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। নাউযুবিল্লাহ!
অধিকাংশরা যদি কোনো নাস্তিককে ভোট দেয়, তবে সেই নাস্তিকই দেশ শাসনের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়। নাউযুবিল্লাহ! ঠিক একইভাবে আজ ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে থেকেও প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছে গণতন্ত্রের নেতারা। আর জনগণের প্রতিবাদ সত্ত্বেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না। কারণ তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে অর্থাৎ অধিকাংশের রায়ে নির্বাচিত। মুসলিম জনগণও নিরূপায়। কারণ তারাই (গণতন্ত্রের ফাঁদে পড়ে) এসব লোকদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। জনগণ গণতন্ত্রের রঙ্গিন চশমায় শুধু ঘুঘু দেখে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখে না।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে