জানেন কি? আইয়্যামিল্লাহ দিনগুলো পালনকারীকে আল্লাহপাক কুদরতীভাবে বিপদ থেকে হেফাজত করে থাকেন


আল্লাহপাক সব কিছুর একচ্ছত্র অধিপতি, মালিক। তারপরেও কিছু দিন, কাল, স্থান, মাস, বছর এবং বিষয়কে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজের জন্য খাছ করেছেন এবং আইয়্যামিল্লাহ পালনকারী ব্যক্তিকে আল্লাহপাক অবশ্যই সমস্ত বিপদ থেকে কুদরতিভাবে হেফাজত করে থাকেন।

সেদিন রাতে মামা আর আমি যখন বের হলাম, নিসবাতুল আযীম শরীফ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে। মাঝপথে বিপদ এসে হাজির। চলন্ত রিকশাকে তড়তাজা স্বাস্থ্যবান এক কুকুর আটকিয়ে দিল। শুধু তাই নয়, আমারই পায়ের কাছে জোড়সে ঘেউ ঘেউ শুরু করলো। কেউ ভাবতেই পারেন, কুকুর এটা আর এমন কি বিপদ? একটা লাথি দিলেই পালানোর রাস্তা খুজে পাবে না।
ভাবনা মন্দ না, কিন্তু যারা ভয় পায় তাদের জন্য কুকুর নামটিও খুব আতঙ্কের।

জনমানবহীন রাস্তার কিনারার সৌন্দর্য উপভোগ সাথে আল্লাহর ওলীদের ঘটনা মুবারক শুনতে শুনতে যাচ্ছিলাম। বিস্ময়ের ব্যাপার, কোথা থেকে কুকুর আবিষ্কার হয়ে সামনে এলো। কুকুরটি যখন পায়ের কাছে ঘেউ ঘেউ শুরু করলো, তখন মনে অনেক অশুভ চিন্তার সাথে সাথে এই খেয়ালও এলো…যত যাই হোক এট লিস্ট আজকে কোন বিপদ হতে পারে না, গন্তব্য নিসবাতুল আযীম শরীফ উনার অনুষ্ঠান, কিভাবে কোন বিপদ বাধা হতে পারে(?)।
আসলেই তাই, কুকুরটি কিছুক্ষন ঘেউ ঘেউ করে পায়ের কাছ থেকেই চলে গেল।

যখন আমার হুশ এলো মানে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হলো, মামাকে বললাম।
.মামা রিকশাওয়ালাকে কিছু বলেন।কুকুর দেখে রিকশা থামাইসে কেন, যদি কামড় দিত(!)
.মামা বললো, ধুর বেটি! কুকুরই তো দৌড়ে এসে রিকশা থামালো!

দুয়েকজন কে দেখলাম সতর্কতা স্বরুপ পোস্ট দিয়েছে রাস্তার হালচাল জানার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ… হরতাল কারো কোন ক্ষতি করতে পারে নি।সবাই উপস্থিত হতে পেরেছে সম্মাণিত অনুষ্ঠানে।

যেহেতু বিপদের কোন হাত পা নাই।কার বিপদ কোথায় অপেক্ষা করছে কেউ জানে না। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দান করে বের হওয়ার অভ্যাস করা জরুরী।
হাদীস শরীফে আছে, কোন ব্যক্তি যখন দান করে বের হয়, তখন আল্লাহপাক ঐ ব্যক্তির জন্য দু’জন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম নির্দিষ্ট করে দেন। যতক্ষন পর্যন্ত ঐ ব্যক্তি ঘরে ফিরে না আসেন ততক্ষন পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাকে পাহাড়া দিতে থাকেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে