জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- পবিত্র জান্নাতের একটি ইট স্বর্ণের, আর একটি রৌপ্যের, কংকর হবে মুক্তার, জাফরানের মাটি, কস্তুরির গারা। যে জান্নাতে প্রবেশ করবে, সে সর্বদা আনন্দ-খুশিতে মশগুল থাকবে, মুগ্ধ-মাতোয়ারা থাকবে। বেহেশতে কেউ চিন্তিত হবে না, কোনো দিনও মৃত্যু আসবে না। পোশাক-পরিচ্ছদ পুরনো হবে না, কোনো দিন বৃদ্ধকাল আসবে না। জান্নাতে দুধ, পানি, মধুর নহরসমূহ প্রবাহিত থাকবে। বেহেশতবাসীগণ যা চাইবে সঙ্গে সঙ্গে তা পাবে।” সুবহানাল্লাহ মূলত পবিত্র জান্নাতের নিয়ামত এতই বেমেছাল ও এতই বেশুমার যে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন স্থান (জান্নাত) তৈরি করেছি যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শ্রবণ করেনি এবং কোন মানুষের অন্তর তা কল্পনা করেনি”। সুবহানাল্লাহ (বুখারি ও মুসলিম শরীফ) কল্পনাতীত অসীম নিয়ামত ও এতমিনান-প্রশান্তির পবিত্র জান্নাতে শুধুমাত্র মুমিন-মুসলমান-ঈমানদারগণ উনারাই প্রবেশ করবেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তাদেরকে এমন জান্নাতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। সুবহানাল্লাহ (পবিত্র সূরা বাকারাহ, আয়াত শরীফ-২৫) মহান আল্লাহপাক তিনি আমাদের সকলকে হাক্বিকি ঈমানদার-মুসলমান হিসেবে কবুল করুন, দায়িম-ক্বায়িম রাখুন এবং পবিত্র জান্নাত নছীব করুন। (আমিন)
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+