জান্নাতে যাওয়ার সহজ উপায়…!


সম্মানিত কুরবানীতে কোনো দূষণ
সৃষ্টিকারী বস্তু তৈরি হয় না।
কুরবানীর পশুগুলো মহান আল্লাহ পাক
উনার নিদর্শন এবং কুরবানীদাতার
পুলসিরাতের বাহন।
সুবহানাল্লাহ!!!
আমাদের দেশ মুসলিম দেশ বলেই
এদেশে প্রতি বছর কুরবানীও করা হয়
অনেক।
পবিত্র কুরবানী থেকে সৃষ্ট বর্জ্যও
বিভিন্নভাবে কাজে লাগিয়ে
কোটি টাকা অর্জন করার সামর্থ রাখে
এ দেশ।
তাই সরকারের দায়িত্ব কর্তব্য এদেশের
প্রতিটি সম্পদেরই সুষ্ঠু ব্যবহারের
লক্ষ্যে-
-কুরবানীর পশু প্রাপ্তি জনগণের নিকট
সহজলভ্য করা
-এলাকায় এলাকায় হাট বসানো,এতে
কুরবানীর পশু কেনা,আনা সহজ হয়ে
যাবে।
-দশদিন আগে থেকে হাটের ব্যবস্থা
করা
-এবং সৃষ্ট বর্জ্য সংগ্রহপূর্বক তার যথাযথ
ব্যবহার নিশ্চিত করা।
মনে রাখা উচিত,পবিত্র কুরবানী মহান
আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে পাওয়া
অসংখ্য নিয়ামত মুবারকের একটি
নিয়ামত মুবারক।
আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ কুরবানী
করা,বান্দা কুরবানী করে তাক্বওয়া
তো হাছিল করার সুযোগ
পাবেই,সেইসাথে কুরবানী করার
ফযীলত,পুলসিরাতের বাহন,জান্নাতী
পাখি,জান্নাতী বাহন তথা জান্নাতও
পাবে।আর পাবে মহান আল্লাহ পাক
উনার সন্তুষ্টি।
আর দুনিয়াতে তো গোশত বান্দাই
খাবে!
কে জান্নাতে যেতে চায় না!?!
সবচেয়ে ছোটস্তরের যে জান্নাত তা
১০ দুনিয়ার সমান। সুবহানাল্লাহ!
তাই সকলেরই উচিত সামর্থবান হলে
কুরবানীতে শরীক থাকা।
আর মুসলিম মাত্রই নেকী ও
পরহেজগারীতে সাহায্য করবে।
আমাদের সরকার যেহেতু মুসলিম
সেহেতু আমরা সরকারের পক্ষ থেকে
কুরবানী বিষয়ে সর্বধরণের সহযোগীতা
পাওয়ার আশা করতেই পারি…
মহান আল্লাহ পাক যেন সকলকেই
হাক্বীক্বীভাবে কুরবানী করে
তাক্বওয়া হাছিল করার তৌফিক দান
করেন।।আমীন।।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে