◀◀জামাত-শিবিরের প্রতিষ্ঠানগুলো বাজেয়াপ্ত করা সময়ের দাবী▶▶


➨ ইসলামিক ব্যাংক এবং ফাউন্ডেশনের অধীনে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে –

➨ইবনে সিনা ট্রাস্টের অধীনে রয়েছে –

➨ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে –

➨ব্যাংক, বীমা ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে –

➨পরিবহন খাতে রয়েছে – অনাবিল, সৌদিয়া, আবাবিল, ছালছাবিল, পাঞ্জেরি।

➨হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে –

➨সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ক/সংগঠনের মধ্যে রয়েছে –

➨জামায়াত নিয়ন্ত্রিত কোচিং সেন্টারের মধ্যে রয়েছে –

➨বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে –

➨বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে –

➨ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে –

➨সাহিত্য কাগজের মধ্যে রয়েছে –

➨প্রকাশনা সংস্থার মধ্যে রয়েছে –

পাঞ্জেরী, সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স, আধুনিক প্রকাশনী, প্রীতি প্রকাশন, কিশোর কণ্ঠ প্রকাশনী, ফুলকুঁড়ি প্রকাশনী, মিজান পাবলিকেশন্স, ইষ্টিকুটুম, আল্পনা প্রকাশনী, গণিত ফাউন্ডেশন, মদিনা পাবলিকেশন্স, প্রফেসর’স, কারেন্ট নিউজ, সাজ প্রকাশন, সৌরভ, সাহিত্যকাল, নবাঙ্কুর, সাহিত্যশিল্প, শিল্পকোণ, আযান, অনুশীলন, ফুলকলি, দিগন্ত, আল কোরআন ইত্যাদি।

➨আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে –

➨বাংলাদেশি এনজিও/সমিতির মধ্যে রয়েছে –

এ ছাড়াও রয়েছে নামে বেনামে বহু প্রতিষ্ঠান।

এসকল প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় দিয়ে  দেশবিরোধী কাজ হচ্ছে, ইসলাম ধর্ম বিনাশে তথা মওদুদী আক্বীদা বিস্তারে এবং জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীপনা কাজ হচ্ছে।

তাই উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান সমূহ  বাজেয়াপ্ত করা সরকারের উচিত যা সময়ের দাবী।

 

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+