জামাত-শিবির মওদুদীবাদী বাতিল ফিরকার বইপত্র পড়লে আর পড়ালে ঈমান থেকে খারিজ হয়ে বেঈমান মুরতাদ হতে হবে


 

বাতিল ফিরকা মওদুদীবাদী জামাত-শিবিরের পরিচালিত- শিবির অনলাইন লাইব্রেরীর মাধ্যমে শিশু-কিশোর যুব সমাজকে কঠিন ঈমান বিধ্বংসী কুফরী আক্বীদা শিখানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে ছাহাবা রদ্বিয়াআল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন ঈমানের মাপকাঠি। উনাদের মুবারক শানে অপবাদ দিয়ে ইহুদী, নাছারা, ফাসিক, ফুজ্জার, মুনাফিকদের রচিত ইতিহাসের কল্পকাহিনীগুলোকে সত্যিকারের ইসলাম উনার ইতিহাস বলে শিখানো হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! তারা সেখানে “হযরত ওসমানের শাসন পদ্ধতি” শিরোনামের আর্টিকেলে এমন কুফরী কথা লিখেছে, যা বিশ্বাস করলে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকেই অবিশ্বাস করা হবে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! মওদুদীবাদী জামাত-শিবির বাতিল ফিরকার লেখকরা সেখানে যে কুফরী আক্বীদা সম্বলিত বিষয়গুলি লিখেছে- তা নিম্বে উল্লেখ্য করা হলো, ১. হযরত ওসমানের কোমলচিত্ততা, আত্মীয়-স্বজনের প্রতি তার অস্বাভাবিক প্রীতি ও স্নেহ এই দু’টোর কারণে এমন কতিপয় পদক্ষেপ গৃহীত হয় যা ছাহাবাদের নিকট বিশেষ আপত্তিজনক বলে মনে হয়। এই পদক্ষেপগুলোর অত্যন্ত বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এর ফলে যে ভয়াবহ গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় তা ইসলামকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে। ২. তাঁকে সম্পূর্ণ নির্ভুল বলাও কঠিন। ৩. তাঁর বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান মোটামুটিভাবে ইসলামী ভাবধারার একটি গণবিস্ফোরণ ছিল। ৪. রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহচর্য গ্রহণ করা সত্ত্বেও বার্ধক্যের কারণে তিনি পুরোপুরিভাবে মুনাফিক চক্রান্তকারীদের খপ্পরে পড়ে গেছেন। ৫. যাদের মনে ইসলামী আদর্শ বদ্ধমূল ছিল তাঁরা এ সব কার্যকলাপ দেখে নীরবতা অবলম্বন করাকে পাপ মনে করতে থাকেন। তাঁদের মনে সৃষ্ট এ ভাবধারা তাঁদেরকে বিদ্রোহ প্রকাশে উদ্বুদ্ধ করতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! উপরোক্ত কুফরী আক্বীদা থেকে সহজেই বুঝা গেলো- যে বা যারা জামাত-শিবির মওদুদবাদী আক্বীদা পোষণ করে সে বা তারা একই সাথে- আমিরুল মুমিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, উনার সুমহান খিলাফত ব্যবস্থাকে ভুলত্রুটিযুক্ত, স্বজনপ্রীতিতে ভরপুর, বয়সের আধিক্যের কারণে সুন্নাহবিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণকারী ইত্যাদি কুফরী শিরকী আক্বীদা পোষণকারী। অপরদিকে উনার বিরোধিতাকারী সন্ত্রাসীদেরকে, ইসলামী ভাবধারার অধিকারী, ইসলামী খিলাফত রক্ষাকারী বলার মাধ্যমে মূলত, জামাত-শিবির মওদুদী গং কাট্টা বাতিল ফিরকা খারেজীদের ইত্তেবা অনুসরনকারী বলে প্রমানিত হলো। অতএব অনলাইন, অফলাইন সর্বস্তরে জামাত-শিবির মওদুদীবাদীদের কুফরী আক্বীদা সম্বলিত রচনা আর্টিকেল পড়া এবং পড়ানো থেকে শিশু-কিশোর-যুবাসহ সকলকেই সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে। নতুবা মুসলমানিত্ব থেকে খারিজ হয়ে বেঈমান মুরতাদ হয়ে জুব্বল হুজুন জাহান্নামে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

 

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে