জামায়াতের কাতারে ফাঁক বন্ধ করুন, সকল রোগ-শোক থেকে নিরাপদ থাকুন


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না এবং কোন মুসলমানও সেটা মানতে পারে না।
পবিত্র ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই। তাই যে যেই ফরমুলাই দিকনা কেন, মুসলমান কখনোই সেটা বিশ্বাস করে না এবং মানতে পারে না।
তাই কোন ডাক্তার বা বিজ্ঞানী বা কোন নামধারী মাওলানা-মুফতীরা যদি হাজারবারও বলে- করোনা ছোঁয়াচে রোগ, তাই মসজিদে যাবেন না, কম যাবেন নাউযুবিল্লাহ! গেলেও ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়াবেন, নাউযুবিল্লাহ! এলকোহলযুক্ত স্যানিটারাইজ দিয়ে হাত ধুবেন, নাউযুবিল্লাহ! -কস্মিনকালেও একজন মুসলমান-একজন ঈমানদার এসব শরীয়তবিরোধী ও কুফরী কথা বিশ্বাস করতে পারে না এবং মানতে পারে না।
বরং একজন ঈমানদারের বিশ্বাস হলো- পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহপাক উনার রহমত, বরকত হাছিলের জায়গা। মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে নামায আদায় করলে অনেকবেশি রহমত, বরকত অর্জন করা যায়। আর এই রহমত-বরকতই হলো একজন মানুষের সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ থাকার একমাত্র উছিলা। তাই সকলের উচিত- কোন ডাক্তার বা ধর্মব্যবসায়ীদের কথা না শুনে মহান আল্লাহপাক উনার মুহব্বতে বেশি বেশি মসজিদে যাওয়া, জামায়াতের সাথে ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করা, বেশি বেশি কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা, মীলাদ শরীফ পাঠ করা। এগুলোই সকল রোগ-শোক, বালা-মুছীবত থেকে সুস্থ, সুন্দর, নিরাপদ থাকার একমাত্র উপায়। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে