জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১৭)


রসায়নবিজ্ঞানে মুসলমান উনাদের শুধুমাত্র অবদান নয়, উনারাই সৃষ্টিকরক/উদ্ভাবক-০৫

এরপরে সাবানের কথায় আসি। আজকের দিনে কাগজের মতই দৈনন্দিন কাজে সাবানের বিকল্প কিছু ভাবাই যায় না। এটি সর্বজনসিদ্ধ যে, পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনের তাগিদ মুসলমানদের ধর্মীয় জীবনের অনুসঙ্গ। নিয়মিত হস্ত-পদ প্রক্ষালন(অযু) এবং ক্ষেত্রবিশেষে স্নান মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। সাবানের ব্যবহার উনাদের এই কাজটিকে সহজ করে তোলে। মুসলমানেরা  প্রথম শক্ত সাবান(Solid Soap) তৈরী করেন এবং এর উৎপাদনকে একটি শিল্পের রূপ দান করেন। ফলে সর্বপ্রথম সিরিয়াতে এবং এর পরে বিভিন্ন স্থানে সাবানের কারখানা প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। আলেপ্পো, নাব্‌লুস প্রভৃতি স্থানের প্রস্তুতকৃত সাবান বিখ্যাত হয়ে উঠে এবং স্থানের নামেই সাবানগুলো(Aleppo Soap, Nabulsi Soap) পরিচিত হতে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যে এখনো এই সাবানগুলো বেশ জনপ্রিয়। মুসলমানেরা সাবান প্রস্তুতিতে প্রধানতঃ উদ্ভিজ তেল (জলপাই তেল-Olive Oil), অ্যারোমেটিক তেল(Arometic Oil), তরল ক্ষার(Sodium Hydroxide), পটাশ(Potus), অ্যালকালি(Ashes), চুন(Lime) ইত্যাদি ব্যবহার করতেন। সে সময় বিভিন্ন রসায়নবিদের গ্রন্থে সাবান প্রস্তুতির বর্ণনা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রেও আল-রাযী পিছিয়ে যান নি। উনার গ্রন্থেও সাবান প্রস্তুতির একটি নতুন পদ্ধতি পাওয়া যায়। যাই হোক, সপ্তম-অষ্টম শতকেই মুসলমানরা সাবান শিল্পকে উন্নতির চূড়ায় নিয়ে যান। অন্যদিকে, উত্তর ইউরোপ এর উৎপাদন এবং ব্যবহার আয়ত্ব করতে ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত অপেক্ষা করে। কাগজের মতই সাবানের ব্যবহারও মুসলিম স্পেন হতেই ইউরোপের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে The Story of the Moors in Spain গ্রন্থে লেখক স্ট্যানলী ল্যান্‌পুলের(Stanley Lane Poole;১৮৫৪-১৯৩১) বর্ণিত একটি ঘটনার কথা প্রকাশ না করলেই নয়। মধ্যযুগের ইউরোপে যখন সাধারন মানুষ তো বটেই উপাসনালয়ের সন্ন্যাসীরা পর্যন্ত স্নানকে একটি অপবিত্র কাজ বলে গন্য করতেন(তিনি এক সন্ন্যাসিনীর কথা বর্ণনা করেন যিনি একাদিক্রমে ৬০ বছর স্বীয় আঙুলের অগ্রভাগ ব্যতীত শরীরের অন্য কোন অঙ্গকে পানির সংস্পর্শে আসতে দেন নি!), সে সময়েই মুসলমনদের প্রতিটি ঘরে আলাদা গোসলখানা তো বটেই শহরের বিভিন্ন স্থানে সরকারী খরচে গোসলখানা তৈরী হয়ে গিয়েছে। যাই হোক, আমাদের বাঙলা ভাষায় সাবান শব্দটি এর আরবী প্রতিশব্দ ‘সাবুন’(الصابون) থেকেই এসেছে।

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১৬)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১৫)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১৪)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১৩)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১২)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১১)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(১০).

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০৯)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০৮)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক(০৭)..

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক(০৬)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক(০৫)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০৪).

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০৩)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০২)

জ্ঞান-বিজ্ঞান রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্ভাবক মুসলমানঃ মুসলমান উনারাই বিজ্ঞানের মূল বা জনক বা আবিষ্কারক-(০১)

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. আবারো মুসলমানদের জেগে ওঠা দরকার Rose

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে