‘টাই’ যে ক্রুশের চিহ্ন তার ঐতিহাসিক দলিল


‘টাই’ যে ক্রুশের চিহ্ন তার ঐতিহাসিক দলিল: এক মুসলিম লেখক যার নাম ছিল ই কুরাইশি সাবেরি উপরের ঐতিহসিক ডকুমেন্টটি প্রকাশ করেন। উনিশ শতাব্দীর শেষের দিকে ইউরোপীয়রা তাদের ডিকশেনারী ও এনসাইক্লোপিডিয়া থেকে প্রাথমিক যে সকল বিষয় (খ্রিষ্টীয় জাতিসত্ত্বার পরিচয় বহন করে এমন) বাদ দিয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘নেকটাই যে ক্রুশের প্রতীক’ তার দলিল। ১৮৯৮ সালের পূর্বে প্রিন্ট দেয়া একটি এনসাইক্লোপিডিয়া একটি পৃষ্ঠায় বিষয়টি স্পষ্ট হয়। অন্য একটি রিপোর্টে দেখা যায়, ১৭৯০ সালে পোপ সকল খ্রিস্টানকে ক্রুশের প্রতীক হিসেবে নেকটাই পরিধান করার জন্য জোর দেয়। ১৮৫০ সালের মধ্যে সকল খ্রিস্টান জাতি বিষয়টি গ্রহণ করে এবং পোপের আদেশ জারি করে দেয়।

লিঙ্ক

Views All Time
1
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. এই নিয়েকোন দলিল আমার হাতে ছিল না। বহত শুকরিয়া!!!

  2. সূচনাসূচনা says:

    আপনাকে ধন্যবাদ। খুবই গুরুত্বপূর্ণ দলীল। মুসলমানদের এই বিষয়টি সম্পর্কে জেনে টাই পরিধান পরিহার করা উচিত। Rose

  3. ইহুদীরা যদি খ্রিস্টানদের টাই না পড়ে,
    খ্রিস্টানরা যদি মুসলমানদের টুপি না পড়ে,
    হিন্দুরা যদি মুসলমানদের পোশাক না পড়ে,
    শিকরা যদি মাথায় পাগড়ী আর হাতে থেকে বালা না খুলে-
    তাহলে মুসলমান কেন ইহুদী খ্রিস্টানদের পোষাক পড়বে আর নিজেদের ড্রেসকোড অবজ্ঞা করবে?
    সব ধর্মেইতো একটা নির্দিষ্ট প্রতীক আছে নির্দিষ্ট পোষাক আছে যদিও সেসব ধর্ম বাতিল ও অস্তীত্বহীন, তাহলে শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের নির্দিষ্ট পোষাক কোনটা? কেউ ফিকির করে কি? ইসলামতো পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। তাহলে মুসলমান কেন অন্য ধর্মের পোশাক পড়ে?

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে