‘টেলিভিশন’ নামক সিনেমাটি আদতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হুকুমকে হেয় প্রতিপন্নকারী; একটি ষড়যন্ত্র। অতএব এটি অতিসত্বর নিষিদ্ধ করতে হবে


রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উনার এই বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। অন্যান্য বাতিল ধর্মের অনুসারীরা যেমন তাদের কথিত ধর্মকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করে, তেমনি মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত একমাত্র জীবনব্যবস্থা পবিত্র দ্বীন ইসলামও মুসলমানগণ ক্বিয়ামত পর্যন্ত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ ভাবে পালন করবে- এটাই স্বাভাবিক। অন্যান্য কথিত ধর্মগুলি বাতিল হওয়ার কারণেই বিধর্মী তথা কাফির মুশরিকরা চায় কী করে মুসলমানদের ঈমান-আমল বরবাদ করে দেয়া যায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইহুদী-নাছারা তথা কাফির-মুশরিকরা চায় তোমরা (মুসলমানরা) ঈমান আনার পর তোমাদের কাফির বানিয়ে দিতে।”
আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “ইহুদী-নাছারারা তথা কাফির-মুশরিকরা কখনো তোমাদের (মুসলমানদের) প্রতি সন্তুষ্ট হবে না যতোক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তাদের ধর্ম গ্রহণ না করবে বা অনুগত না হবে।”
এই চক্রান্তের ধারাবাহিকতায় মুসলমানদের মধ্যে কৌশলে অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে হারাম ছবি, বেপর্দা বেহায়াপনা তথা অশ্লীলতা। আর এর মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে মুসলমানদের ঘরে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে হারাম টেলিভিশন। তবে মুসলিম প্রধান এ দেশের অনেক অঞ্চলেই এখনো ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ হারাম টিভি চ্যানেল দেখেন না, পর্দানশীণ মহিলাগণ ছবি তুলেন না, স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘর থেকে বের হন না। এসব হরামকে হারাম বলেই জানেন এবং তা থেকে বিরত থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু বিষয়টা মেনে নিতে পারেনি কাফির মুশরিকদের চর ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী মহল। তারা ঘরে ঘরে হারাম টেলিভিশন প্রবেশ করিয়ে ও ছবির প্রচলন করার নিমিত্তে নতুন যে ফন্দি এঁটেছে তার নাম হচ্ছে ‘টেলিভিশন’ নামক একটি সিনেমা। নাউযুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে