ঢাকায় ভারতীর দূতাবাস থেকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা “র”এর সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।


ঢাকায় ভারতীর দূতাবাস থেকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা
“র”এর সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্স অ্যান্ড এনালাইসিস উইং বা “র” পার্শ্ববর্তী সব দেশের (অর্থাৎ বাংলাদেশে ) রাজনৈতিক ও সামরিক ঘটনাবলি ও অবস্থান যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতিতে যার প্রভাব অবশ্যম্ভাবী সেদিকে লক্ষ রাখে। সংস্থাটি পাশের দেশগুলোতে ভারতের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এসব অঞ্চলে প্রকাশ্য বা পরোক্ষ কোনোরূপ ভারতবিরোধী সম্ভাবনা সৃষ্টির সুযোগ দিতে চায় না।
ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য সংস্থাটি ভারতীয় দূতাবাসের ছদ্মাবরণ ও কূটনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগায়।
তার মানে ঢাকায় ভারতীর দূতাবাস থেকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা
“র”এর সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।

ভারতীয় দূতাবাসে যাদেরকে দিয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে তিনি সরকারি কর্মকর্তা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তা হলেও তাকে ইন্টেলিজেন্স কর্মকর্তা হয়।
এসব কর্মকর্তা হতে পারেন রাষ্ট্রদূত, অ্যাটাশে (সামরিক, নৌ, বিমান), সিভিল এভিয়েশন, বাণিজ্যিক, পেট্রোলিয়াম অথবা কৃষিসহ যেকোনো ক্ষেত্রে কর্মরত। এমনকি দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীই ইন্টেলিজেন্সের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। কেন্দ্রে তথ্য পাঠানোর জন্য সংস্থাটি ভারতীয় দূতাবাসের এন্টেনার সহায়তা নেয় ।
রিসার্চ অণ্ড এনালাইসিস উইংস ( ‘র’ ) ভারতের পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক এবং বহির্বিশ্বে ভারতের প্রভাব তৈরি করা, অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য সব ধরনের কাজই করে এই সংস্থাটি। আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সংকৃতিক, ধর্মীয়, শিক্ষা খাত, মিডিয়া, এনজিও এবং ব্যবসায় সংগঠনের নেতা পর্যন্ত এরা রিক্রুট করে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে লোক নিয়োগ দিয়ে শীর্ষ পর্যায়ে পৌছে দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, অর্থ, এবং অন্যান্য সহায়তা অব্যাহত রাখে। এভাবেই এরা বাংলাদেশের ভেতরে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করছে । বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা নষ্ট করে প্রশাসন কে চাপে রাখা এদের পরিকল্পনার অন্যতম একটা দিক।

গত ঢাকায় ৩০ এপ্রিল ২০১৬- তে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বাংলাদেশে ভরতনাট্যম পরিবেশন করতে আসা পদ্মশ্রী লীলা স্যামসনের সাথে হাই কমিশনার শ্রী হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এই হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এক সময় ইসরাইলের তেলাবিবে রাষ্ট্র দূত হিসেবে কাজ করে এসেছে ।
আর বর্তমান সরকাররের প্রশাসনে অধিকাংশ হল হিন্দু দাদারা । যারা খায় বাংলাদেশে আর পায়খানা করে গিয়ে ভারতে ।

কে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা “র” আন্তর্জাতিক মিডিয়া, দেশী দালাল মিডিয়া (প্রথম আলো , ৭১ টিভি , বিডি নিউজ২৪ কম ) এবং টাকা খাওয়ানো কিছু চর মানবাধিকার সংস্থা দিয়ে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে “আইএস” এর নাম দিয়ে ।
যেকোনো অপরাধের তদন্ত আমরা সাধারণ মানুষ ও চাই কিন্তু তার মানে সেটা ভারত বা আমেরিকাকে দিয়ে নয় ।
বাংলাদেশের প্রত্যেক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশীদের ( ২ আনার ফকিরনী নিশা দেশাই ) নাক গলানোর নিন্দা এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে