সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা- এটা তো স্পষ্ট মূর্খতা


বাঙালি মুসলমানদের শত-সহস্র বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে কুরবানী’। কুরবানীর ঈদ বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে গরুর হাট, মুসল্লিদের তাকবীর ধ্বনি সম্বলিত পশু কুরবানী, গোশত ভাগাভাগি এবং বিতরণ, চামড়া সংগ্রহ, ঘরে ঘরে গোশত দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের সুবাস। এই ঐতিহ্যের পতন ঘটানোর জন্য একটি ইসলামবিদ্বেষী শ্রেণী দীর্ঘদিন ধরে নানারকম ভ্রান্ত যুক্তি নিয়ে প্রতিবছর সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এই বছর মূর্খদের যুক্তি হচ্ছে- শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার্থে সকল কুরবানী শহরের বাইরে কোনো পরিত্যক্ত স্থানে অনুষ্ঠিত হবে এবং সম্ভব হলে শরীয়ত বহির্ভূত পদ্ধতিতে যন্ত্রের মাধ্যমে জবেহ সংঘটিত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
একটি উদাহরণ দেই। বিয়ে মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। এখন যদি গড়পরতা সকলের বিয়ে শহরের বাইরে একটি নির্দিষ্ট পরিত্যক্ত স্থানে একই সাথে হয় এবং লঙ্গরখানার মতো একটি মাঠে বিয়ের ভোজনপর্ব সংঘটিত হয়, তবে সেই বিয়ের ভোজন আর দুর্যোগের ত্রাণ অনেকটা একরকম উপভোগ্য হবে। গুরুত্বের পাশাপাশি গাম্ভীর্য, ঐতিহ্য এবং পবিত্রতা হারাবে এই পবিত্র অনুষ্ঠান।
৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের প্রায় ২ কোটি মানুষের শহর ঢাকায় যদি এই প্রস্তাবিত কুরবানীর প্রথা প্রয়োগ করার কল্পনাও করা হয়, তবে তা লোক হাসানো প্রমোদ বাক্য বৈ অন্য কিছু হবে না। তাই সরকারের প্রতি আহবান এই যে, উল্লেখিত অসৎ শ্রেণীর নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র আমলে নেবেন না, তাদের দাবিগুলো পরিহার করুন এবং মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতি নিয়ে ছিনিমিছি খেলার দরুণ তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসুন, এটাই আমাদের দাবি।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে