তওবা করার সুযোগ আছে মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত।


সেদিন কারো কোনো ক্ষমতা কোনো কাজে আসবে না!
মানুষ গায়ের জোর,মুখের জোর,গলার জোর,টাকার জোর,মামার জোরে অনেক কিছুই করে থাকে,বলে থাকে,জুলুম করে থাকে…
কিন্তু যেহেতু পৃথীবী এবং এর সাথে সমস্ত সৃষ্টিই ধ্বংসশীল তাই এজাতীয় পাওয়ারেরও শেষ আছে,শেষ আসবে।
আপনি বিদ্বান,যথেষ্ট যুক্তি তর্ক দিয়ে যাকে খুশি তাকে হেনস্থা করতে পারেন
কিন্তু সুযোগ একদিন সেই ব্যক্তিরও আসবে…হয় এপারে নাহয় ওপারে!
আজ আপনি হাসছেন,ঠাট্টা -বিদ্রুপ করছেন…
সময় আসবে আপনাকে নিয়েও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করার।
মুসলমান পরকাল মেনে থাকে
তাই মুসলমানের উচিত পরকালের জন্যই পাথেয় গ্রহণ করা।
মানুষ বিদেশে যায়,টাকা কামাই করে দেশে পাঠায়, দেশে সঞ্চয় করে,দেশেই বাড়ি-গাড়ি করে।
একইভাবে আমাদের এখান থেকে পরকালের বাড়ির মাল-সামানা কিনে পাঠাতে হবে,জায়গা ঠিক করতে হবে।
মুসলমানদের বিষয়গুলো শুধুই যুক্তি-তর্ক নির্ভর নয়!
ইবলীশ যুক্তি-তর্কে আপনার চাইতে অধিক পারঙ্গম।
মুসলমানদের মূল বিষয়টাই হচ্ছে অদৃশ্যে বিশ্বাস,কালাম পাক,হাদীস শরীফ,ইজমা শরীফ এবং ক্বিয়াস শরীফে বিশ্বাস।
এর মধ্যে যা আছে তা-ই কোনো তর্ক ব্যতিরেকে বিশ্বাস করাটা,মেনে নেয়াটাই ঈমান।
হাদীস শরীফ, তোমরা কাফির-মুশরিকদের ব্যতিক্রম করো- সেটাই করতে হবে,করার চেষ্টা করতে হবে।
হাদীস শরীফের ব্যতিক্রম আমল তো করা যাবে না।
হাদীস শরীফ,ক্বিয়ামত দিবসে কঠিন শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যে প্রাণীর ছবি তোলে বা আকে/ প্রতিকৃতি বা সাদৃশ্য তৈরি করা।
এটা মানাটাই ঈমান।
মানুষ ভুল করতে পারে, সেই ভুল ক্ষমা করিয়েও সে নিতে পারে-তওবার দরজাতো এখনো খোলা।
এখনো সূর্য পশ্চিমে উদিত হয় নি।
প্রতিমূহুর্তেই তওবা করার সুযোগ আছে মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত।
আর অস্বীকার যদি করেন সেক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে,অস্বীকার করতেই পারেন কিন্তু তার বদলা একদিন পাবেন,একদিন ফিরে যেতেই হবে…
জানা জিনিস অপরকে জানানোটাই দায়িত্ব, দায়িত্ব থেকেই জানানোর চেষ্টা…
আদ জাতিকে খোদায়ী গযব সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছিলো, সতর্ক করা হয়েছিলো!
কিন্তু আফসোস, তারা মহান আল্লাহ পাকের ক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত ছিলো না!
তারা বিশাল পাথরে হাত দিয়েই গলিয়ে গর্ত করে ফেলতে পারতো। ভেবেছিলো সেই শক্তি দিয়েই বুঝি রক্ষা পাবে…
কিন্তু দেখা গেলো মহান আল্লাহ পাক তাদের জনপদটাকেই উল্টে দিলেন,তারা ধ্বংস হয়ে গেলো নাঊযুবিল্লাহ!!!
সুতরাং সমগ্র সৃষ্টিই স্রষ্টার ক্ষমতার আয়ত্বাধীনেই রয়েছে….সাধারণভাবে বুঝা না গেলেও মুসলমান হিসেবে এবং পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ধ্বংস থেকে শিক্ষা নিতে হবে,বিশ্বাস ঠিকভাবেই স্থাপন করতে হবে…নচেৎ তাদের পরিণতিই গ্রহণ করতে হবে…
মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকেই ক্ষমতার বড়াই,অহংকার এবং নাফরমানীমূলক কাজ থেকে যেন হিফাযত করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে