তাক্বওয়া অর্জন করা ছাড়া মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য মিলবে কি?!?!


“যমীনে পানিতে যত ফিৎনা ফাসাদ সব মানুষের হাতের কামাই। ”
তাই বন্যা, ভুমিকম্প, ঘূর্ণিঝর,দাবানল এসব যেমন মানুষেরই কৃত অপকর্মের ফল।ঠিক একইভাবে পারিপার্শ্বিক অস্থিতিশীলতা, বিশৃংখলা,রাহাজানি, লুটতরাজ,হত্যা এসবও মানুষেরই কৃতকর্মের ফসল!!!
দিন যত যাচ্ছে ততই এসবের পরিমাণ আশংকাজনক হারে বাড়ছে। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষের হারামের দিকে ঝুকে যাওয়া এবং ঝুকে থাকার প্রবণতাই দেখা যাচ্ছে,বেড়ে যাচ্ছে! নাঊযুবিল্লাহ
এসকল ফিৎনা ফাসাদ থেকে পরিত্রাণের উপায়ই মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে রুজু হয়ে হাক্বীক্বী তাক্বওয়া পরহেজগারি অর্জন করা। কিন্তু আফসোস,মানুষের পছন্দ পশ্চিমাদের সাথে তাল মিলানো,অনুকরণ করা! নাঊযুবিল্লাহ!
পশ্চিমাদের অনুসরণ করলে কি তাক্বওয়া অর্জন হবে?????
অনুসরণ করা উচিত ছিলো হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের। অথচ এখনকার দিনে দেখা যায়,অনুসরণ করবে কি! এখনকার মানুষ উনাদের ত্রুটি অন্বেষণে ব্যস্ত! নাঊযুবিল্লাহ
মানুষ মনে করে একদিন হারাম কাজ করলে কিছু হয় না! এই যে তারা এরকম মনে করছে এতে যে তাদের কুফরী হচ্ছে সেই ইলিমও তাদের নেই। গুনাহর কাজ বা হারাম কাজকে হাল্কা মনে করা কুফরী।
এখন মানুষ সেই কুফরীই করছে,অথচ নিজেকে মুসলিম দাবী করছে!
মহান আল্লাহ পাক কি করে এটাইপ গাফেল লোকদের সাহায্য করবেন???!!!তারা কি আদৌ সাহায্য পাওয়ার যোগ্য!?!
মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকেই খালিছভাবে তওবা করে,সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পূর্ণ অনুসরণ করে তাক্বওয়া হাছিল করার যেন তৌফিক দান করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে