তাজিমী সিজদাহ করা সম্পুর্ণরূপে হারাম। নাউজুবিল্লাহ!


তাজিমী সিজদাহ করা সম্পুর্ণরূপে হারাম।

মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদা করা সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয এবং প্রকাশ্য শিরক-এর অন্তর্ভূক্ত। চাই সিজদায়ে তা’যীমী হোক অথবা সিজদায়ে উবূদিয়া। অথবা তাহিয়্যার (পবিত্রতার) জন্যই সিজদা করা হোক না কেন। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত অন্য কাউকে ইবাদতের উদ্দেশ্যে সিজদা করা যেরূপ হারাম ও শিরক-এর অন্তর্ভূক্ত, তদ্রুপ কোন ব্যক্তিকে তা’যীমের জন্য তা’যীমী সিজদা করা সবই হারাম ও পবিত্রতার জন্য তাহিয়্যার সিজদা করাও ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয কুফরী শিরিকের অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ বলে থাকে, সিজদায়ে তা’যীমী ইত্যাদি যদি হারাম হয়, তবে মহান আল্লাহ পাক হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করার জন্য ইবলিসকে আদেশ করলেন কেন? এবং হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম তিনি উনার পিতা-মাতাকে সিজদা করলেন কেন? এর জবাবে এতটুকু বললেই যথেষ্ঠ যে, এটা হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার দ্বীন নয়, এটা হলো দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীয়ত। আর এ শরীয়তে তা’যীমী সিজদা সম্পূর্ণ হারাম ও কুফরী। যারা হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার দ্বীনের অনুসরণ করে তা’যীমী সিজদা ইত্যাদি জায়েয করার অপচেষ্টা চালায়, তাদের প্রতি আমাদের প্রশ্ন হলো- তবে কি আপনারা আপন বোনকে বিবাহ করবেন? হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ধর্মে তো এটা জায়েয ছিল, কিন্তু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ধর্মে এটা সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয। সুতরাং সিজদায়ে তা’যীমী, উবূদিয়া, তাহিয়্যাহ ইত্যাদি সবই হারাম। অতএব মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদা করা সম্পূর্ণ শিরক ও কুফরী।

 

আর শিরক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ্ শরীফ উনার মধ্যে তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান,

إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ

অর্থঃ “নিশ্চয়ই শিরক সবচেয়ে বড় গুণাহ্।”[সূরা লূকমান আলাইহিস সালামঃ আয়াত শরীফ ১৩]

আল্লাহপাক কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন –

مَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহপাক কঠোর শাস্তিদাতা। [সূরা আল হাশরঃআয়াত শরীফ ৭]

আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

‏‏ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْمُوجِبَتَانِ فَقَالَ ‏ “‏ مَنْ مَاتَ لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَمَنْ مَاتَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ النَّارَ ‏”

অর্থঃ- এক ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমতে হাযির হয়ে আরয করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন দুইটি বিষয় ওয়াজিব হল? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি শিরক করা ব্যতীত মৃত্যুবরণ করলো, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেল। আর যে শিরক করে মারা গেল, তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেল।” [মুসলিম শরীফ(ইফাবা),কিতাবুল ঈমান,হাদীছ নং-১৭১]

একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কারো সম্মুখে সিজদার নিয়তে মাথা নত করা সম্পূর্ণই হারাম।

১।পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়-

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللّٰهُ عَنْهَا أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ كَانَ فِىْ نَفَرٍ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ فَجَاءَ بِعِيرٌ فَسَجَدَ لَه فَقَالَ أَصْحَابُه : يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ! تَسْجُدُ لَكَ الْبَهَائِمُ وَالشَّجَرُ فَنَحْنُ أَحَقُّ أَنْ نَسْجُدَ لَكَ. فَقَالَ : «اعْبُدُوا رَبَّكُمْ وَأَكْرِمُوا أَخَاكُمْ وَلَوْ كُنْتُ اٰمُرُ أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا

অর্থঃ- একবার হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আনছার ও মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন।তখন একটি উট এসে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সিজদাহ করল। এটা দেখে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! গাছপালা, পশুপাখি, কিটপতঙ্গ সকলেই আপনাকে সিজদা করে, কাজেই আমরাও আপনাকে সিজদা করতে চাই ,আমরাই বেশি হক্বদার। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন,…“আমি যদি মানুষ মানুষকে সিজদাহ করার অনুমতি প্রদান করতাম, তবে স্ত্রীদেরকে আদেশ করতাম, তারা যেন তাদের স্বামীকে সিজদাহ করে” (কিন্তু মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত কাউকে সিজদাহ করা সম্পূর্ণ হারাম)। [তিরমিযী শরীফ(ইফাবা), হাদীছ নং-১১৬০,ইবনে মাযাহ শরীফ (ইফাবা),হাদীছ নং-১৮৫২,১৮৫৩, রিয়াযুস স্বালিহীন, হাদীছ নং-২৯১,মুসনাদে আহমদ শরীফ, হাদীছ নং- ২৪৯৭৫,মিশকাত শরীফ, হাদীছ নং-৩২৭০]

২।অন্য হাদীছ শরীফে বলা হয়েছে-

حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ مَرْوَانَ قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ لَمَّا قَدِمَ مُعَاذٌ مِنْ الشَّامِ سَجَدَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا هَذَا يَا مُعَاذُ قَالَ أَتَيْتُ الشَّامَ فَوَافَقْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِأَسَاقِفَتِهِمْ وَبَطَارِقَتِهِمْ فَوَدِدْتُ فِي نَفْسِي أَنْ نَفْعَلَ ذَلِكَ بِكَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَلَا تَفْعَلُوا فَإِنِّي لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللهِ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَا تُؤَدِّي الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّيَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِيَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু সিরিয়া থেকে ফিরে এসে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সিজদাহ করেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :“হে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু! এ কী? তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পাই যে, তথাকার লোকেরা তাদের ধর্মীয় নেতা ও শাসকদেরকে সাজদাহ করে। তাই আমি মনে মনে আশা পোষণ করলাম যে, আমি আপনার সামনে তাই করবো। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :তোমরা তা করো না। কেননা আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ ছাড়া অপর কাউকে সিজদাহ করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদাহ করতে।সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য অধিকার আদায় না করা পর্যন্ত আল্লাহ পাক উনার প্রাপ্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হবে না। স্ত্রী শিবিকার মধ্যে থাকা অবস্থায় স্বামী তার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চাইলে স্ত্রীর তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত।”[ইবনে মাজাহ শরীফ (ইফাবা),হাদীছ শরীফ নংঃ ১৮৫৩]

৩। হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে-

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ أَتَيْتُ الْحِيرَةَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِمَرْزُبَانٍ لَهُمْ فَقُلْتُ رَسُولُ اللَّهِ أَحَقُّ أَنْ يُسْجَدَ لَهُ قَالَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ إِنِّي أَتَيْتُ الْحِيرَةَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِمَرْزُبَانٍ لَهُمْ فَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَحَقُّ أَنْ نَسْجُدَ لَكَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ أَرَأَيْتَ لَوْ مَرَرْتَ بِقَبْرِي أَكُنْتَ تَسْجُدُ لَهُ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ فَلاَ تَفْعَلُوا لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لأَحَدٍ لأَمَرْتُ النِّسَاءَ أَنْ يَسْجُدْنَ لأَزْوَاجِهِنَّ لِمَا جَعَلَ اللَّهُ لَهُمْ عَلَيْهِنَّ مِنَ الْحَقِّ ‏”‏

অর্থঃ কায়স ইবন সা‘দ রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হিরা শহরে আগমন করে সেখানকার লোকদেরকে মারযুবানকে সিজদা করতে দেখি। আমি (মনে মনে) বলি, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ই তো সিজদার অধিকতর হকদার। তিনি বলেন, আমি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলি, আমি হিরাতে গমন করে সেখানকার লোকদেরকে মারযুবানকে সিজদা করতে দেখেছি। আর ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনিতো এর অধিক হকদার যে, আমরা আপনাকে সিজদা করি? তিনি বলেন, তুমি বল, যদি (আমার ইন্তেকালের পর) তুমি আমার রওজা শরীফ উনার পাশ দিয়ে গমন কর, তবে কি তুমি সেখানে সিজদা করবে? তিনি বলেন, আমি বললাম, না। তিনি বলেন, তোমরা সেরূপ করবে না। আর যদি আমি কাউকে সিজদা করতে বলতাম, তবে আমি স্ত্রীলোকদেরকে তাদের স্বামীদেরকে সিজদা করতে বলতাম। আর তা এইজন্য যে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে (স্বামীকে) তাদের (স্ত্রীদের) উপর হক প্রদান করেছেন।[আবূ দাউদ শরীফ(ইফাবা), হাদীছ নং- ২১৩৭,কিতাবুন নিকাহ]

৩।হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন,

لَا يَصْلُحُ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَر

কোন মানুষের জন্য অপর মানুষকে সিজদা করা বৈধ নয়।’[নাসায়ী শরীফ, আস-সুনানুল কুবরা: ৯১৪৭; ইবন আবী শাইবাহ, হাদীছ নং: ১৭১৩২, মুসানাদে আহমদ শরীফ,হাদীছ নং- ১২৬৩৫]

তাহলে আমরা জানতে পারলাম তাজিমি সিজদাহ সম্পুর্নভাবে হারাম।আল্লাহ পাক আমাদের কে দ্বীনের সহীহ সমঝ দান করুন।আমীন।

বিস্তারিত জানতে নিচের কিতাবখানা পড়তে পারেন- https://sunniakidarkitab.blogspot.com/2017/03/blog-post.html

মাইজভান্ডারের বাহাস(তাজিমি সিজদাহ ও গান-বাজনা)-মাওলানা রুহুল আমীন বশিরহাটী রহমাতুল্লাহি আলাইহি (https://drive.google.com/open?id=1Z0eHNlB4FSrkbMlo4sVTERKQEtiSHitM)

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে