তাদের অসুবিধা শুধু দ্বীন ইসলাম পালন করলেই কেন?


পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতি, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি, তকদীরের ভাল-মন্দের প্রতি, পরকালের প্রতি এবং মৃত্যুর পর পূণরুজ্জীবনের প্রতি।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উপরোল্লিখিত প্রত্যেকটি বিষয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি কোনো একটা অবিশ্বাস করে তবে সে কাফির হয়ে যাবে। আর কোনো মুসলমান যদি খোলাখুলি অস্বীকার করে তবে সে মুরতাদ হয়ে যাবে।
লক্ষ্যণীয় যে, আমাদের দেশে কোথাও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কথা বললে, ওয়াজ শরীফ উনার ব্যবস্থা করলে, মাইকে আযান দিলে, মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করলে, মহান আল্লাহ পাক পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের শান, মান মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করলে তাদের হাজার রকমের সমস্যা সৃষ্টি হয়। কিন্তু পাড়া-মহল্লায়, হাট-বাজারে, রাস্তা-ঘাটে, মাঠে-ময়দানের, অলি-গলিতে বিশ্রী ও হারাম গানবাদ্য উচ্চ আওয়াজে হরদম চলতে থাকে তখন তাদের কোনো অসুবিধা হয় না, কাফির-মুশরিকদের পূজা-প্রাবণে সারারাত ধরে মাইকে আজে-বাজে মনগড়া কর্মকা- প্রচার করলে কারো পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করে না বরং শয়তানীর কারণে তাদের অন্তরে বেশ মজাই লাগে।
এ ধরনের লোকদের সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, যখন আযান হতে থাকে, তখন শয়তান পিঠ ফিরায়ে পালাতে থাকে। যাতে সে আযান শুনতে না পায়”।
বাংলাদেশ সরকার প্রধান ও ধর্মপ্রাণ দেশবাসী মুসলমানদের উচিত- এ ধরনের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিদ্বেষী ও বিদ্রোহীদের আশ্রয় না দেয়া, সাহায্য সহযোগিতা না করা, মূল্য না দেয়া, ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা, সরকার এ ব্যাপারে নিষ্ক্রিয় থাকলে তাকে সক্রিয় করতে নিবেদিত হওয়া।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে