তাবলীগ সম্পর্কে কিছু তথ্য যার ব্যাখ্যা তাবলীগদের নিজেদেরও জানা নেই


১. তাবলীগরা “মুরুব্বি” শব্দটা বহুল ব্যবহৃত। তাবলীগের মুরুব্বিকে ইংরেজিতে এরা Elder বলে। আপনি কি জানেন এই মুরুব্বি বা Elder শুধু দুদল বেশি মান্য করে? ইহুদী ও তাবলীগরা।
১৯০৫ সালে ইহুদীদের “The protocol of the learned elders of Jews” বা “জ্ঞানী ইহুদী মুরুব্বিদের প্রোটোকল” নামে একটি গোপন নথি আবিস্কার হয়।
https://goo.gl/Dj5xQ2 ,
http://goo.gl/GONA6Y ,

http://goo.gl/8lgyHO

আর তাবলীগ মুরুব্বিদের আবির্ভাব হয় ১৯২৭ সালে।
২. তাবলীগের মুরুব্বিরা কোরআনকে শুধু আরবিতে পড়ে অনেক ফায়দা হাসিলের কথা বললেও তারা সাধারন মানুষকে অর্থ ও তাফসীরসহ কুরআন বুঝার ব্যপারে নিরুৎসাহিত করে। তারা বলে মুফতি, আলেম না হলে বা ১৫টি ভাষায় জ্ঞান না থাকলে কুরআন বুঝা উচিত না। অথচ আল্লাহ বলেছেন- “আমি বুঝার জন্য কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি। কেউ কি বুঝতে চায়”? (সূরা কামার)
৩. তাদের সিলেবাসে লক্ষ্য করে দেখবেন যে জিহাদ সম্পর্কে কোন বই নেই। ফাজায়েল সব সিরিজ থাকলেও কেন “ফাজায়েল জিহাদ” নেই? তারা সুকৌশলে মানুষকে জিহাদ থেকে দূরে রেখে পরকাল ও দোআ-জিকির নির্ভর ইসলাম প্রচার করতে ব্যস্ত।
৪. ভন্ডনবী গোলাম আহামকের তৈরি কাদিয়ানীদের যখন অমুসলিম ঘোষণা করার জন্য রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সকল ইসলামী দল একসাথে ১৯৭৪ সালে “খতমে নবী” আন্দোলন করছিল, তখন একমাত্র এই তাবলীগ জামায়াতই কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আন্দোলনে যেতে অস্বীকার করে। অন্যান্য অন্যায়ের প্রতিবাদ, আন্দোলন দূরে থাক, ভণ্ডনবীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করাও নাকি ফেতনা, ফ্যাসাদ !!!
৫. এমন কোন বিধর্মী দেশ নেই, যেখানে তাবলীগরা তাদের দাওয়াতি কাজ করতে পারেনা। এমনকি ইসরাইলেও তাবলীগরা বাধাহীন ভাবে নিশ্চিন্তে চলাফেরা করে, যেখানে অন্যান্য মুসলমানদের প্রবেশ নিষেধ !!!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে