তারা জনগণের নেতা হওয়ার অযোগ্য- যাদের নজর পবিত্র কুরবানীর পরিবর্তে মূর্তিপূজার প্রতি


বলা হয়ে থাকে- ‘পাগলেও নিজের ভালোটা বুঝে।’ কিন্তু বাংলাদেশের চলমান অবস্থা দেখে বিপরীতটাই মনে হয়। কারন এদেশের জনসংখ্যার মূল অংশ তথা ৯৮ ভাগই যেখানে মুসলিম, সে মুসলিমরাই আজ তাদের দ্বীনি অধিকার পালনের স্বাধীনতা পাচ্ছে না। মুসলমানদেরকে বলা হচ্ছে- সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে হবে, বিপরীতে সংখ্যালঘু বিধর্মীরা পূজা করছে রাস্তা-ঘাট, মাঠ দখল করে।
প্রতিবছর সরকার কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনছে। ২৭টি পশুর হাট থেকে কমে এখন ২০টি কুরবানী হাট হয়েছে। আর গতবছর সংখ্যালঘুদের দূর্গাপূজার ম-প শুধু ঢাকাতেই বেড়ে হয়েছে আড়াইশ। প্রতিবছরই বাড়ছে এ সংখ্যা।
সরকার কুরবানীর প্রতিটি হাটের জায়গা ভাড়া আদায় করছে কোটি কোটি টাকা। অথচ পূজা ম-পের জন্য ব্যবহৃত কোন জায়গার জন্য সরকার একটাকাও নেয় না।
সরকার কুরবানী উপলক্ষ্যে কোনটাকা কখনো অনুদান দিয়েছে বলে জানা যায় নি। অথচ সরকার প্রতি বছর পূজা ম-পগুলোতে হাজার হাজার টন চাল, নগদ টাকা অনুদান দিয়ে থাকে।
কুরবানীর পশুর হাটগুলোকে সরকার একে একে শহরের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ এদেশের স্কুল-কলেজের মধ্যেই সংখ্যালঘুরা পূজা ম-প বানিয়ে প্রকাশ্যে পূজা-অর্চনা করে যাচ্ছে।
কুরবানীর পশু গরু-ছাগল ইত্যাদি প্রতিপালনে সরকার নজর না দিয়ে কচ্ছপ, কাঁকড়া, কুমির ইত্যাদির খামার করতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে।
বাংলাদেশ চামড়া শিল্প থেকে হাজার কোটি টাকা আয় করে থাকে। অথচ সরকার এ চামড়া শিল্পে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না দিয়ে বরং নানারকম শর্ত শারায়েত দিয়ে এ শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। যে কারণে দেখা গেছে চলমান ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চামড়া শিল্পের আয় কমে গেছে।
পাঠক! এতগুলো কথা বলার একটাই কারন; শুরুতেই যে বলেছিলাম পাগলেও নিজের ভালোটা বুঝে। পাঠক আপনারাই বলুন- যে দেশের আমলারা এভাবে দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে অবজ্ঞা করে তাদেরকে কোনঠাসা করে ক্ষুদ্রতম একটি দুর্বল গোষ্ঠীকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে মাথায় তুলে রাখার মত অনভিজ্ঞ কাজ করতে পারে, সে সরকারের আমলারা কি পাগলের ভালো বুঝার চেয়েও অধম হয়ে গেছে? মূলত ওইসব আমলা-কামলারা এখন মুসলমানদের শত্রু, দেশের শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরা দেশ পরিচালনার কোন যোগ্যতাই রাখে না।

Views All Time
1
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে