তিনটি বিষয় যথাযথ আদবের সাথে শিক্ষা না দিলে তা ক্ষতির কারণ হবে


অনলাইনে অনেক ইসলামিক ঘটনা বা হাদীস শরীফ দেখি। কিন্তু সেগুলোর স্টার্টিং দেখলেই আর পড়তে ইচ্ছা করেনা। একটা উদাহরণ দেই, একটা আর্টিকেল পড়তে গেলাম। তার হেডলাইন হল “মুহাম্মাদ (সঃ) এর আয়েশা (র) প্রতি ভালবাসা”।
 
আমাদের সম্মানিত নবী, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালিন, যিনি ইমামুল মুরসালিন, যিনি হাবীবুল্লাহ, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক সমগ্র কুরআন শরীফে সরাসরি যাঁর নাম মুবারক ধরে সম্মোধন করেননি, উনাকে এভাবে সম্মোধন করাটা একজন উম্মতের পক্ষে কতটুকু শোভনীয়? উনার শানে পবিত্র দরূদ শরীফ “ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” বিকৃত করে শুধু “সঃ” দিয়ে লেখাটা কতটুকু জায়িজ? একজন মানুষের জন্য তার মায়ের নাম ধরে ডাকা যদি বেয়াদবী হয় তাহলে, সমস্ত উম্মতের যাঁরা সম্মানিতা “মা” উনাদের নাম মুবারক ধরে ডাকাটা কতটুকু বেয়াদবী? একজন মন্ত্রী প্রেসিডেন্টের নামের আগে পরেও মানুষ চৌদ্দ রকম বিশেষণ লাগায়, আর হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নাম মুবারক এমনভাবে উচ্চারণ করে যেন উনারা তাদের ইয়ার বন্ধু! নাউযুবিল্লাহ!
 
আদব স্বর্ণ ও চান্দির থেকেও উত্তম। মসনবী শরীফের শুরুতেই হযরত জালালুদ্দীন রুমি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখ করেছেন, “আমি আদব তলব করছি। বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে বঞ্চিত। বেয়াদব শুধু একাকীই ক্ষতিগ্রস্ত হয়না, বরং তার বেয়াদবীর কারনে যে লানত বর্ষিত হয় তা আসমান ও যমীন সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে।“ অর্থাৎ তার বেয়াদবীর সাথে যারা জড়িত থাকে তারা সবাই লানতগ্রস্ত হয়। নাউযুবিল্লাহ!
 
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সন্তানদের তিনটি বিষয় যথাযথ আদব শিক্ষা দিতে বলেছেন।
প্রথমত, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত মুহব্বত মুবারক আদবের সাথে শিক্ষা দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক আদবের সাথে শিক্ষা দিতে হবে।
তৃতীয়ত, সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ বিশুদ্ধ করে আদবের সাথে শিক্ষা দিতে হবে।
 
আদবের সাথে এই বিষয়গুলি শিক্ষা না দিলে তা বরং ক্ষতির কারন হবে।
Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে