“তোমরা অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিতও হয়োনা।”


পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,“কোনো মুসলমানকে কষ্ট দেয়া কুফরী।”
বেশিরভাগক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের পক্ষ থেকে নানাভাবে কষ্ট পেয়ে থাকে-কথাবার্তায়,আচার-আচরণে।অনেকেই পান থেকে চুন খসলেই স্ত্রীর উপর নির্যাতন শুরু করে।সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মহিলাদেরকে অত্যন্ত সম্মান দান করেছেন।স্বামীদের উচিত স্ত্রীদের সম্মান রক্ষা করা, তাদের সাথে যথাযথভাবে ব্যবহার করা।
স্ত্রী ভুল করলে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন,যতভাবে সম্ভব।প্রহার করবেন কেনো?এটা তো জুলুম।অনেক বদস্বভাববিশিষ্ট লোক রয়েছে যারা উঠতে বসতে স্ত্রীদের ভুল ধরে আজেবাজে ব্যবহার করে থাকে।তারা স্ত্রীদের ভুল সহ্য করতে পারছে না,অথচ তারা চিন্তা করে না তারাও তো দৈনন্দিন জীবনে চলতে ফিরতে অনেক ভুল করে,আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ অমান্য করে!কই এজন্য তো মহান আল্লাহ্‌ পাক তাদের সাথে সাথে শাস্তি দিচ্ছেন না!
মহান আল্লাহ্‌ পাক ইরশাদ মুবারক করেন,“তোমরা অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিতও হয়োনা।” যারা স্ত্রীদের উপর অত্যাচার করবে তারা জালিম হিসেবেই সাব্যস্ত হবে।আর জালিমদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ্‌ পাক ইরশাদ মুবারক করেন,“আর মহান আল্লাহ্‌ পাক জালিমদেরকে হিদায়েত দেন না।” অর্থাৎ যারা জুলুম এর উপর দৃঢ় থাকে এরা কখনো হিদায়েত পায় না বরং গোমরাহ হয়ে থাকে।নাঊযুবিল্লাহ!
এক জুলুমের কারণেই ব্যক্তির জিন্দেগী বরবাদ হয়ে যায়!!! তার উপর আবার পবিত্র হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,মজলুমের সাথে মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার কোনো পর্দা থাকে না,মজলুম ব্যক্তি মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার দরবারে যা দোয়া করবে তা-ই সরাসরি কবুল হয়ে যাবে। এখন স্ত্রী হোক বা স্বামী হোক যেকেউই মজলুম হতে পারে,তারা যদি বদদোয়া করে তখন কিন্তু সেই বদদোয়াও কবুল হয়ে যাবে। কাজেই সাবধান!

আর স্ত্রীদেরও দায়িত্ব স্বামীর বিরক্তির বা অসন্তুষ্টির কারণ হয় এমন বিষয় থেকে বিরত থাকা এবং সবর করা।
মহান আল্লাহ্‌ পাক সকলকেই সহীহ সমঝ দান করুন।।আমীন।।
ggd

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে