” তোমরা পরিপূর্ণ ঈমানদার না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না”


কত্তো লোকের আজ ঈমানহানী ঘটবে!!!
নামায,রোযা তরক করলে মানুষের গুনাহ হবে এ জন্য কিছুটা শাস্তিরো ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ঈমান যদি ঠিক থাকে তাহলে এক সময় না এক সময় নাযাত পাবেই। অপরদিকে শিরক করলে কুফরী হবে,আজীবনের জন্য জাহান্নামী হতে হবে। নাঊযুবিল্লাহ।
অনেকে বলে থাকে নামায রোযার খবর নাই,পহেলা বৈশাখকে হারাম বলতে আসছে!
যা হারাম তাকে কি হারাম বলা যাবে না??? মানুষের আমলে ত্রুটি থাকতেই পারে কিন্তু অস্বীকারতো করতে পারে না।
যারা পাচ ওয়াক্ত নামায পড়বে তাদের জন্য কি কখনো হারামটা হালাল হয়ে যাবে??? কখনোই নয়। নামায,রোযা করলেই কুফরী করার অনুমতি পাওয়া যায় না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন ” তোমরা পরিপূর্ণ ঈমানদার না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না”
কাজেই পরিপূর্নভাবেই ঈমানদার হতে হবে। মনমতো হলে বিশ্বাস করবো,না হলে বিশ্বাস করবো না এরূপ অবস্থা হলে ঈমানদার থাকা যাবে না। মৃত্যু কখন এসে উপস্থিত হবে কেউ জানে না,তখন ঈমানদারই থাকবে নাকি বেঈমান অবস্থায় মৃত্যু হবে তাও কারো জানা নাই। তাই সদা সর্বদা,সর্বাবস্
থায়ইই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ঐ মূহূর্তটায় যেন ঈমান চলে না যায় সেই তৌফিকও চাইতে হবে, নিজেকে চেষ্টাও করতে হবে।
মৃত্যুর পূর্বে তওবা করার সময়টুকু নাও হতে পারে, তাই কর্তব্য সর্বাবস্থায়ই তওবা-ইস্তিগফার করতে থাকা আর যতটুকু সম্ভব হারাম এবং অনাবশ্যক হালাল থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখা।
মালিক পাক যেন আমাদের সকলকে হিফাযত করেন এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পথে ইস্তিক্বামত থেকে পরিপূর্ণ ঈমানদার হয়ে মৃত্যুবরণ করার তৌফিক দান করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে