দাড়িহীন বালকদের পর্দা :!> :!> :!>Copy post from another site


পোষ্টটা পড়ার পর লেখাটি সংরক্ষণে রেখেছিলাম, কারণ এ ধরনের লেখা সাধারনত পোষ্ট দেয়া হয়না, আর যদিও দেয়া হয় সম্ভাবনা থাকে সরিয়ে ফেলার । এজন্য সংরক্ষিত লেখাটি পোষ্ট দিলাম। কারণ পোষ্টটির মূল লেখক পোষ্টটা মুছে দিয়েছেন। লেখাটি পড়লে হয়তো অন্তত কিছু পাবলিক টু বি কেয়ারফুল ফরম দিজ…………….

আল্লামা শামী বলেন, মহিলাদের মতো দাড়িহীন বালকদেরও পর্দা ফরয। মহিলাদের মত তারাও ঘরের কোনে থাকবে, বের হবে না। আল্লামা শামীর কথা সম্পূর্ণ বাস্তবতা-বিরোধী মনে হতে পারে। কারণ, মহিলারা পর্দা করবে ঠিক আছে, কিন্তু বালকরা কীভাবে পর্দা করবে? আর এটা সম্ভবই বা কীভাবে? বিশ্বের অবস্থা না জেনে শুধু বাংলাদেশের দিকে লক্ষ করলে এটা অবাস্তবই মনে হবে। কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে, তাদের অবস্থা অবগত হলে বুঝা যাবে যে, আল্লামা শামীর কথা যথার্থ ও বাস্তবসম্মত। আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা এখনো সেরকম হয়নি তাই বুঝতে কষ্ট হতে পারে।
আমেরিকার অনেক মানুষ মেয়েদেরকে বাদ দিয়ে বালকদের দিয়ে যৌন চাহিদা মিটিয়ে থাকে। সেখানে এমনো অঞ্চল রয়েছে যার শতকরা আশিভাগ পুরুষে পুরুষে বিবাহ হচ্ছে। এসব দৃষ্টিকোণ থেকে আল্লামা শামীর উক্তি যথার্থই মনে হয়।
আমাদের বুযুর্গগণ দাড়িহীন বালক থেকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতেন। কোথাও দাড়িহীন বালক দেখলে সাথে সাথে চোখ ফিরিয়ে নিতেন এবং তওবা করতেন। একদা এক বালক হযরত থানভী  এর কক্ষে প্রবেশ করে। থানভী বাহির থেকে এসে তাকে দেখেই দ্রুত বের হয় এবং খানকার নাযিম শিব্বির আলীকে ডেকে বালকটিকে বের করতে বলে। অতঃপর সে বলে, “শোন, আমি কসম করে বলি, আমি নিজের নফসের উপর আস্থা রাখতে পারি না।”

প্রিয় পাঠক লেখাটি পড়ে আবার কেউ মনে করেন না যে, এখানে  থানভীকে ছোট করে ভাবা হয়েছে, অবশ্য তার একটা ঘটনা থেকেই শামী সাহেব দাড়িহীন বালকদের পর্দা করার কথা ভেবেছেন। এটা কিন্তু কম কথা নয়!

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে