দাদাগো ধর্মনিরপেক্ষতার স্লোগান এবং সরকারকে দেশের বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র-সাবধান!!!


বর্তমান সরকার সম্পর্কে সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে- ‘এই দলের ধড় মুসলমান, কিন্তু মাথাটা বাম।’ অর্থাৎ দলের বেশিরভাগ লোক মুসলমান হলেও, নীতিনির্ধারক পর্যায়ের লোকেরা বামপন্থী নাস্তিক অথবা প্রতিবেশী দেশের বামপন্থী দাদাদের দ্বারা প্ররোচিত। বর্তমান সরকারের অধিকাংশ সাংসদ মুসলমান, অধিকাংশের ধর্মের প্রতি অনুরাগ আছে এবং অনেকেই নিয়মিত নামায পড়ে থাকেন। এমনকি সরকারপ্রধান ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মপালন করে থাকেন বলে অনেকবারই পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। যদি তাই-ই হয়ে থাকে তবে “কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস করা হবে না”- মর্মে নির্বাচনী ওয়াদা থাকার পরও ৯৭ ভাগ মুসলিম প্রধান দেশ এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশ বাংলাদেশে-১। কিভাবে হাইকোর্ট থেকে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী রুল “কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো মেয়েকে পর্দা করানোর ব্যাপারে বাধ্য করা যাবে না” জারি হতে পারে? ২। কিভাবে হাইকোর্টের এই কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী পর্দা সম্পর্কিত রুল বাস্তবায়নে সরকারের শিক্ষামন্ত্রণালয় দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিপত্র প্রেরণ করতে পারে?  ৩। কিভাবে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী- “১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু” নীতি সম্বলিত উদ্ভট জাতীয় শিশুনীতি-২০১০-এর খসড়া প্রকাশ হতে পারে? ৪। কিভাবে সংবিধান সংশোধনের নামে সংবিধানে উল্লিখিত “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক, উনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস”- একথা বাদ দেবার জন্য কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী তোড়জোড় শুরু হতে পারে? ৫। কিভাবে পবিত্র রবীউল আওয়াল শরীফ মাসে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত “সমস্ত খেলাধুলা হারাম” তথা হারাম বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজন করা যেতে পারে?

কিন্তু বর্তমান সরকারের মধ্যে দাদা নামধারী লোকগুলো যে সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট করছে তা কবে বুঝবে সরকার?

মূলত এসব অনুভূতির জন্য দরকার নেক ছোহবত তথা ফয়েজ, তাওয়াজ্জুহ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি তা বর্তমান সরকারকে নছীব করুন। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+