দান-সদকা করার ফযীলত


কেউ যদি চায় মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার বন্ধু হতে সে যেন বেশি বেশি করে দান করে।কেননা, মহান আল্লাহ্‌ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন,”সখী বা দানশীল ব্যক্তি আমার বন্ধু।দানকারীদেরকে কবর বা কিয়ামতের কোনো আযাবই করা হবে না।” সুবহানাল্লাহ্‌
অপরদিকে কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার শত্রু সে যত বড় ইবাদতকারীই হোক না কেনো! নাঊযুবিল্লাহ!
হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা মুবারক করেছিলেন,কুরয়ান শরীফ তিলাওয়াত করা উত্তম না সদকা দেয়া?তিনি ইরশাদ মুবারক করেছিলেন,সদকা দেয়া।কেননা সদকা দোযখের আগুন হতে মুক্ত করে। সুবহানাল্লাহ্‌! এছাড়াও দুনিয়াতেও দান সদকার ফায়দা পাওয়া যায়।সদকা অকল্যাণের ৭০টি দরজা বন্ধ করে দেয়।সুবহানাল্লাহ্‌!
দানশীল ব্যক্তিগণ একহাজার বছর পূর্বে বেহেশতের সুঘ্রাণ গ্রহণ করবে এবং প্রতিদিন তাদের আমলনামায় একজন পয়গম্বর আলাইহিস সালাম উনার পুণ্য লিখা হয়।
সুবহানাল্লাহ্‌!!!
মহান আল্লাহ্‌ পাক যেন আমাদের সকলকেই হালাল উপার্জন হক্ব জায়গায় দান করার তৌফিক দান করেন।।আমীন।।
fsds

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে