দৃশ্যত শুরুর সেই ছবিটি আজ ভয়ঙ্কররূপে দেখা দিচ্ছে, নৈতিকতাকে চিবিয়ে খাচ্ছে


মানুষের সনাক্তকরণের যত মাধ্যম আছে তার মাধ্য অত্যন্ত দুর্বল মাধ্যম হলো হারাম ‘ছবি’। আসলে ছবির মাধ্যমে সনাক্তকরণে রয়েছে অনেক ঝুকি। প্রথমত, মানুষের চেহারা পরিবর্তন হতে থাকে। এক সময় দেখা যাবে- ছবির সাথে চেহারার কোনো মিল নেই। আবার দুষ্টুমতির মানুষ এই ছবি পরিবর্তন করে অন্য ছবি লাগিয়ে দিতে পারে। আর গলাকাটা পাসপোর্ট ও নগ্ন দৃশ্যে অন্যের মাথা লাগিয়ে কেলেঙ্কারির কথা তো সবারই জানা। তাহলে সনাক্তকরণে কোনো নিরাপত্তাই রইল না। তাহলে ছবি কেন?
বর্তমানে পাশ্চাত্যের দেশগুলো পরিচয়পত্র, ভিসা, পাসপোর্টের জন্য হারাম ছবির ব্যবহার প্রচলন করে দিয়েছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে। সনাক্তকরণের জন্য বর্তমানে নিñিদ্র নিরাপদ মাধ্যম রয়েছে। যেমন- আঙ্গুলের ছাপ, দস্তখত, চোখের রং, তিলা বা কাটা দাগ ইত্যাদি। তাহলে কেন মানুষ অনির্ভরযোগ্য হারাম ছবি সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহার? ছবি যখন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তখন এই ব্যর্থ হারাম ছবি সনাক্তকরণের জন্য আর ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ছবির ব্যাপারে একটি কথা না বললেই নয়। ছবির ব্যবহার যখন ছিল না তখনও সমাজ চলছে আবার যখন ছবি ত্যাগ করা হবে তখনও সমাজ চলবে। ফিকির করলে স্পষ্ট দেখা যাবে আজকের সমাজের নৈতিক অবক্ষয় শুরু হয় ছোট্ট একটি ছবি থেকে। শুরুতেই যদি হারাম ছবি বাদ দেয়া হতো তাহলে আজ কোমলমতি ছেলেমেয়েদের মুঠোফোন পর্নোগ্রাফী ও অশ্লীল মুভি থাকতো না।

দৈনিক আল ইহসান শরীফ-এ প্রকাশিত একটি মতামত।

 

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে