দেশপ্রেমের অভাবেই সংখ্যালঘুরা দেশান্তরি হয় এবং টাকা পাচার করে


বিজাতীয়-বিধর্মীরা বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার করে, সুযোগ পেলে নিজেরাই পাচার হয়। এটা কোনো নির্যাতনের ফল নয়, এটা হলো তাদের আড়াইশ বছর ধরে চলে আসা স্বভাব। যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি তখন তাদের বাপদাদারাও এদেশকে ঘৃণা করতো। বঙ্কিমচন্দ্র তার লেখাতে উল্লেখ করেছে “ঢাকাতে দুই চারিদিন বাস করিলেই তিনটি বস্তু দর্শকের নয়ন পথের পথিক হইবে- কাক, কুকুর ও মুসলমান। এই তিনটি সমানভাবেই কলহপ্রিয়, অতি দুর্দম, অজেয়।” নাউযুবিল্লাহ! বিজাতীয়-বিধর্মীরা যেহেতু তাদের জাতীয় চরিত্র গঠনে বঙ্কিমের ‘আনন্দমঠ’ এর ন্যায় উগ্রতাবাদী লেখা পাঠ করে থাকে। সুতরাং বাংলাদেশের প্রতি তাদের ঘৃণাটা জাতিগতই হতে হবে। জাতগতভাবেই তারা এদেশকে ঘৃণা করবে।
কলকাতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই পূর্ববঙ্গের বিজাতীয়-বিধর্মীরা নিজের মাতৃভূমিকে ঘৃণা করা শুরু করে, আর এখানে অর্জিত টাকা কলকাতায় পাঠাতে শুরু করে। তখন তাদের বক্তব্য ছিল, পূর্ববঙ্গ মুসলমানদের জায়গা তাই একে ঘৃণা করে এর সম্পদ শুঁষে নিয়ে কলকাতায় পাচার করতে হবে। আর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারা তাদের টাকা পাচারকে বৈধতা দিতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা কাহিনী তাদের মিডিয়াতে প্রচার করে। তাছাড়া এর ফলে বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে হেয় করা যায়, ভারতের অসহায় মুসলমানদের গলায় ছুরি চালানো যায়।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে