সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

দেশের চলমান ‘শিক্ষানীতি’ কিভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের হতে পারে?


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে।

পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা, কবিতা ও গল্পের সর্বাধিক সংখ্যক লেখকই হচ্ছে অমুসলিম বিধর্মী। বহু সংখ্যক মুসলিম সাহিত্যিক, লেখক, কবি থাকার পরও তাদেরকে পাশ কাটিয়ে অমুসলিমদের লেখনীগুলোকে সিলেবাসভুক্ত করাকে মেনে নেয়ার মতো গ্রহণযোগ্য কোনো যুক্তি আছে কি? শুধু অমুসলিম লেখকই নয়, যে সকল নামধারী মুসলমান সারা জীবন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিপক্ষে বলেছে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সমালোচনা করেছে, মুসলমানদের কটাক্ষ করে কলম চালিয়েছে, যাদের জীবনাচারে বিন্দুমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চিহ্নটুকুও দেখা যায় না, তাদের লেখাগুলোকেই বাছাই করে করে বইগুলোকে সাজানো হয়েছে। এটাকেও কি মুসলমানরা মেনে নিবে? সেটা কিভাবে?

যেখানে দেশের কোটি কোটি ছাত্রছাত্রীরা হলো মুসলিম, ছাত্রছাত্রীদের ৯৯ ভাগই মুসলমান, সেখানে অসাম্প্রদায়িকতার নামে, ধর্মনিরপেক্ষতা, সেক্যুলারিজমের নামে যেভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের আশা-আকাঙ্খাকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে, এটাকে কিভাবে মুসলমানদের শিক্ষানীতি বলা যেতে পারে? মূলত ধর্মনিরপেক্ষতার নামে এই শিক্ষানীতি হলো একটি ধোঁকা, যা মুসলমানদেরকে ঈমান-আমলহীন একটি কাফির জাতিতে পারিণত করার ষড়যন্ত্র।
মুসলমানদের মাঝে এখনো যতটুকু ঈমানী চেতনা ও মুসলমানিত্ব টিকে আছে, সেটাকে ধ্বংস করার জন্যই যে- এই শিক্ষানীতি, এই পাঠ্যবই, এই সিলেবাস- এটা যদি এ দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের বুঝতে এখনো সময় লাগে, তাহলে আবারো ইংরেজ আমলের গোলামীর শাসনের কথাই তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে হচ্ছে এবং হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে