দেশের মন্ত্রীরা মুখস্থ কথা বলেন; তাদের পাঠ্যবই তৈরি করেন তাদের পশ্চিমা প্রভুরা


খবর মন্তব্য

খবর শিরোনাম: আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো খাদ্য সহায়তা কমিয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী
মন্তব্য শিরোনাম: আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ভিক্ষায় নেমেছে, খাদ্যমন্ত্রীরা বেখবর
খবর: আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশে খাদ্য সহায়তা কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, এজন্য যেকোনো বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে এদেশে খাদ্য নিরাপত্তায় সমস্যা দেখা দেয়।
মন্তব্য: এদেশের মন্ত্রীদের চিরাচরিত অভ্যাস, উনারা দেশের চেয়ে নিজেদের খবর ভালো রাখেন। এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, দেশের খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য মজুদ সম্পর্কে খাদ্যমন্ত্রী বেখবর। আর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কি রকম মন্দা চলতে তাও উনি জানেন না।

খবর: বৃহস্পতিবার এশিয়া ফাউন্ডেশনের ‘প্রোমোটিং ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড প্রাক্টিস’ (প্রদীপ) প্রকল্পের ডেপুটি চিফ নিভ ও’কনরের কাছে আব্দুর রাজ্জাক এ কথা বলেন। ও’কনর এদিন সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে আসেন। খাদ্যমন্ত্রী এ সময় তাকে বলেন, ‘বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে রয়েছে। কিন্তু নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য সমস্যা হয়ে দেখা দেয়।’
মন্তব্য: আরে মন্ত্রী! ‘বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে নয় স্বয়ংসম্পূর্ণই রয়েছে। আর দূর্নীতি করে লুটপাট করলে নিরাপত্তা নিশ্চিক করা যাবে কিভাবে? পর্যাপ্ত হিমাগারের ব্যবস্থা করতে কতো টাকা লাগে, আর দূর্নীতিতে মন্ত্রীদের পকেটে কয় টাকা যায়? হিসাব করেন বুঝতে পারবেন।

খবর: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করলেও অধিক জনসংখ্যা ও দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় সবসময় বিষয়টি বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে থাকে।’
মন্তব্য: মন্ত্রী সাহেব! রেমিটেন্স না আসলে আপনাদের মাথা গরম হয়ে যায়। রেমিটেন্স গুলো কে পাঠায় জানেন তো? বাংলাদেশের জনগণ। জনসংখ্যা এদেশের জন্য রহমত। দূর্নীতি বন্ধ করে শিল্প প্রতিষ্ঠান তৈরি করুন ও কর্মসংস্থান বাড়ান।
খবর: খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ রয়েছে যাদের প্রচুর জমি, পানি ও সম্পদ রয়েছে। সেসব দেশের জনসংখ্যাও কম। তারা অতিরিক্ত সম্পদ ভোগ করছে। অপরদিকে অনেক দেশ রয়েছে যেখানে জনগণকে খাদ্যের জন্য প্রতিনিয়ত কষ্ট করতে হয়।
মন্তব্য: বাংলাদেশ এর আওতাভুক্ত নয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অনুযায়ী যথেষ্ট জমি, পানি, সম্পদ রয়েছে। সারাক্ষণ নিজের আখের গোছানোর চিন্তায় থাকলেতো সঠিক পরিকল্পনা করা যাবে না। আর তাই মন্ত্রী সাহেবরা পরিকল্পনা করতে পারেন না। দূর্ভোগ পোহাতে হয় দেশের জনগণকে।

খবর: প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করেও বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে বলেও মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী।
মন্তব্য: কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন বাস্তবায়ন করা হবে না বলেও যারা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কাজ করে যাচ্ছেন তাদের উপর প্রাকৃতিক দূর্যোগ তথা গযব ধেয়ে আসার কথা ছিলো। শুধু মাত্র হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি, মূলতঃ যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আযম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ-এর কারণে বাংলাদেশ এখনও রহমত, বরকত, ছাকিনায় পরিপূর্ণ রয়েছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+