দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করুন। সুখী পরিবার গড়ে তুলুন।


পারিবরিক বন্ধন সে মধুর একটা বন্ধন।

বাবা- মা,  ভাই- বোন, স্বামী- স্ত্রী, সবাই মিলে একত্রে বসবাস করা, একে অপরকে মুহব্বত করা, একে অপরের আদেশ-নিষেধ শুনা– এরই মধ্যে রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার বহিঃপকাশ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি রহিম, রহমান, গাফফার, সাত্তার। তিনি রহমত নাযিল করেন সৃষ্টির প্রতিটি জিন-ইনসানসহ প্রতিটি জোড়া বা যুগলের। রহমত নাযিল করেন প্রত্যেক পরিবারের উপর এবং এটাই স্বাভাবিক নিয়তি। কিন্তু এই স্বাভাবিকতাকেই অস্বাভাবিক করে ফেলে পরিবারেরই লোক সকল। পিতা- মাতা  হোক আর স্বামী-স্ত্রী এদের ভুলের জন্য মাসুল দিতে হয় পরিবারের অন্যান্য সব সদস্যদের। আজকাল অনেক পিতা-মাতাই সম্মানিত শরীয়ত উনার শাসন মানে না। তাদের কাছে পবিত্র দ্বীন-ইসলাম মানেই কঠিন একটা বিষয় অথবা পুরাতন কোন ইতিহাস অথবা অতি গোঁড়ামি। নাউযুবিল্লাহ। সুতরাং তাদের ছেলে-মেয়েদের কাছেও দ্বীন ইসলাম উনার মুবারক আদেশ-নিষেধগুলোও বড়ই কঠিন আর গোঁড়ামী। নাউযুবিল্লাহ।

সম্মানিত শরীয়ত উনার হুকুম হচ্ছে, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উনাদের জন্য ইলম (পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও পবিত্র ক্বিয়াস) অর্জন করা ফরয।” এই ইলম  অর্জনের দ্বারা একটা মানুষের ছহীহ আকল-সমঝ পয়দা হয়। ভাল-মন্দ পার্থক্য করার ক্ষমতা পয়দা হয়।

মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্পর্কে জানা এবং জানার সাথে সাথে হাক্বীক্বী মুহব্বতও পয়দা হয়।

সুতরাং বাবা-মায়েরা দ্বীনি  শিক্ষা অর্জন করুক এবং সন্তানদেরকেও সেই শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করুক। তাহলেই সন্তানরা সম্মানিত শরীয়ত মুতাবিক পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকবে এবং পিতা-মাতারাও সন্তানদের  হক্ব সম্পর্কে অবগত হবেন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে