ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্ষণকে সমর্থন করা


তোমরা যারা ধর্ষণ নিয়ে ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ কর এবং যারা মনে কর ধর্ম তোমাকে পরাধীন করে তাদের বলছি
স্বাধীনতা বলতে কি বুঝ??? রাস্তার মহিলা স্বাধীন?? আয়া বুয়া স্বাধীন??? চোখের ধর্ষণ বুঝ??? বুঝ না। বুঝলেও আমি বলবো তুমি সেটা উপভোগই কর। নচেৎ এতোটা উঠে পরে ধর্মের পিছনে লাগতে না। ধর্ম তোমাকে জানিয়ে দেয় তুমি সেফলি চলতে চাইলে নিজেকে ঢেকে চল এতটুকুই। আর ছেলেদের বিষয়ে দৃষ্টি অবনত রাখার বিধান রয়েছে। একটা ছেলের জন্য এটাও জায়িজ নেই কোনো পর্দানশীন মহিলার দিকে দৃষ্টি দেয়া। সেক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে। তুমি নিজেও পর্দা করবা না,ছেলেদেরও বলবা নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতে একোন অবিচার??? আর যে বিষয়টা তুমি ধর্ম না মানলেও প্রাকৃতিক,যে বিষয়টা সহজাত,ছেলেদের প্রতি মেয়েদের আর মেয়েদের প্রতি ছেলেদের আকর্ষণ থাকবে সেটা তুমি কোন নীতি দিয়ে সরাবা শুনি!?! সহজাত বিষয় নীতির ঊর্ধ্বে। আজ ধর্ম তোমাকে ঢেকে চলতে বলার পরও, ছেলেদের দৃষ্টিকে নিচু করতে বলা হয়েছে, মহিলাদের থেকে দৃষ্টি ফেরাতে বলা হয়েছে। তারপরো তোমার মত যেসব ছেলেরা আছে যারা মানবে না, যারা তাদের ইচ্ছানুযায়ী চলবে তাদের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়েছে। সেটা আবার তোমাদের কঠিন লাগে। এই তোমরাই তখন বলো
# ধর্ষক_হলেও_তো_সে_মানুষ ! আবাল
তোমাদের গরু গাধা বললে গরু গাধারও অপমান হয়। তোমরা অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের আবাল। আবু জাহিল ক্যাটাগরির। যাদের তথাকথিত শিক্ষা যদি কিছুটা থেকেও থাকে বাস্তব বুদ্ধিটা তাদের থাকে না। আবু জাহিল এর পূর্বে নাম ছিল আবু হাকাম (জ্ঞানের পিতা)। সে এক মাসের মামলা মুহুর্তেই সমাধান করে ফেলতে পারতো তার মূর্খতার কারণেই তার নাম হয়েছে আবু জাহিল (মূর্খের পিতা)।
তোমরা তো সেই আবু জাহিলেরই উত্তরসূরি। এখন তোমরা বলতেই পারো, নামকরণ ভুল হয়েছে।এইটা তোমাদের কাছ থেকে আশা করা যায় কিন্তু তোমাদের কথা গ্রহণ করা যায় না।
তোমাদের পর্দা ভালো লাগে না,কেউ দেখতে পারে না বলে।ভাইয়ারা, বসেরা যখন বলে সুন্দর লাগছে সেটা তোমাদের খুব ভালো লাগে। তারা দৃষ্টি দিয়ে রেপ করতে পারে তুমি খোলামেলা চললে,ঢেকে চললে তো পারে না। এইটা তুমি না বুঝলেও তারা বুঝে। এজন্য অনেক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বিএফ পাওয়া যায় যারা জিএফকে বোরকা না পড়াক কিন্তু দশটা ছেলের সাথে মিশা, গল্প করা পছন্দ করে না,করতে দেয় না। কারণ সেই ছেলেটা জানে তোমার বন্ধুরূপী ছেলেগুলোর ভিতরের কথা।
আজকে তনুরা রেপ হয় কেন জানো, তনুদের নিজেদেরই জন্য, পাশাপাশি ধর্ষকের শাস্তি না হওয়ার জন্য। কিন্তু তোমাদের তো সে শাস্তিটাও পছন্দ না।
ধর্মনিরপেক্ষতা পছন্দ। যে ধর্মনিরপেক্ষতা যারা পর্দা করে তাদের পর্দা করতে দিবে না। যে ধর্ম নিরপেক্ষতা ধর্ষকের ধর্ষণকে জায়েজ করে দিবে,সহজ করে দিবে। ধর্ষকের শাস্তি দাবী কীভাবে কর তোমরা? ধর্ষণ যে অপরাধ তা তো ধর্মই বলে।
তাহলে কি তোমরা তোমাদের যখন যে ধর্ম মানতে ইচ্ছা হয় সেটাই মানবে।তাতেও ঝামেলা…আমি তোমাদের মত অর্থাৎ তোমরা যারা তসলিমা ভক্ত তোমাদের মত না,তাই সব ঝামেলা রসালো করে বলতে পারলাম না। তোমরা ধর্ষণের ইজিওয়ে পছন্দ কর,তোমরা ধর্ষকের ধর্মে যে শাস্তি দেয়া সেটা অপছন্দ কর।
তোমরা ধর্ম কে অযথাই কটাক্ষ করতে পারো। তোমারা ধর্মনিরপেক্ষ দেশে চলে যেতে পারো না????
যে দেশে মুসিলিম বেশি সেদেশে মুসলিম নিয়ম নীতি মেনে চলাটা স্বাভাবিক ছিলো। মিলাও রেন্ডিয়ার সাথে কয়টা রেপ ওখানে হয় আর কয়টা এখানে হয়।
সেই হিসেবে তোম্রা কখনোই যাবা না,তোমরা শুধু পারবা এই দেশকে রেন্ডীয়া বানানোর চেষ্টা করতে।
লাভ নাই। কখনোই এটা হবে না। প্রয়োজনে আরেকটা যুদ্ধ হবে। তোমাদের মত যেই কুলাংগার আছে দেশকে সেই সকল কুলাংগার থেকে পবিত্র করা হবে। দেশে ইসলামী শাসনই কায়িম করা হবে। তখন দেখা যাবে ধর্ষক কই জন্মায়???
আর আরেকটা বিষয়,আল্লাহ পাক উনার ভয় ছাড়া কারো পক্ষেই অন্যায় থেকে ফিরে থাকা সম্ভব হয় না,এখনকার মেয়েগুলার মধ্যেও আল্লাহ পাক উনার ভয় নাই যার কারণে আমার মত আমি চলবো কার কি এই মুডে থাকে।আর ধর্ষকশ্রেণীও আল্লাহ পাক উনার ভয় নেই বলেই ধর্ষণ করে। যাদের ভয় থাকে তারাই বিরত থাকে, নিরাপদ থাকে। আর নিরাপত্তা অবলম্বন করা অন্যায় না। এটা বল্লে তো আর হবে না চোর কেন আসে,আর দরজা কেন লাগাবো? কিছু চোর থাকেই। তুমি তোমার সেফটি ঠিক রাখ। তারপরো চোরকে তো আর কেউ ধরলে ছেড়ে দেয় না। দেয় কি !??!
# রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই
ইসলাম ছাড়া শান্তি নাই নাই নাই।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে