ধর্ম জোর জবরদস্তির বিষয় না


ধর্মীয় জ্ঞান তাকেই দেয়া হয় যার ধর্ম আছে। একজন হিন্দুকে কেউ বলে না রমযান মাসে খাচ্ছো কেন? বা নামায কেন পড়ছো না? কারণ তার জন্য তো তা না। গান-বাজনা,বেপর্
দা,ছবি,গাজা,মদ তাদের জন্য জায়েজ। তাদের জন্য হারাম না। হারাম তার জন্যই যে নিজেকে মুসলিম মনে করে, মুসলিম বলে দাবী করে। তারপরো মুসলিম যারা দাবী করে তাদেরকেও জোর করা হয় না ফিরে আসার জন্য শুধু জানানো হয় মাত্র যে যা করছো তা কিন্তু জায়েজ না, ফিরে আসলে ভালো না ফিরলে শাস্তি আছে। জান্নাত জাহান্নাম বিধর্মীদের জন্য না। তাদেরকে কেউ জান্নাতের কথা বলতে যায় না,জাহান্নামেরও ভয় দেখাতে যায় না। ধর্ম বিষয়টা জোর করে পালন করানো যায় না। যার যা ইচ্ছা সে তা করতে পারে। কেউ পর্দা করলে তাকে তাই বলা কারো দায়িত্ব না কেনো পর্দা করছো,এভাবেও তো চলা যায়। তোমার যেভাবে ইচ্ছা তুমি চলো। আরেকজনের কি করা দরকার তা তুমি বলার কেউ না। তুমি ধর্মীয় অনুশাসন মানো না তোমার ব্যাপার, সে মানে তার ব্যাপার। সে তোমার খায়ও না,পরেও না। তাই সে তোমার বাধ্যও না যে তুমি যেভাবে বলবা আর সে সেভাবেই চলবে। আমি শীতের দিনে সোয়েটার পরেও থাকতে পারি, মন চাইলে সোয়েটার ছাড়াও থাকতে পারি। ওটা আমার ব্যাপার। তুমি তোমার মত চলো।
মানুষকে শুধু ধর্মীয় বিষয় গুলো বলা হয় সে ভুলে গিয়ে থাকলে জানানোর জন্য। সে পালন করবে এজন্য বলা হয় না। পালন করবে কি করবে না তার দায়িত্ব। সবার বোধবুদ্ধি এক না। একই বিষয় একেকজন একেকভাবে বুঝে। আর কেউ কেউ বুঝেই না। মানুষের স্বাধীনতা আছে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে বুঝার কিন্তু ঠিক বুঝটা কয়জন বুঝলো সেটাই বিষয়! গলার জোর আছে গলাবাজি করা যাবে, জবান আছে জবানে খই ফুটবে। কিন্তু কয়দিন থাকবে এই জোর? সবকিছুরই শেষ আছে, শেষ আসবে। এইটুক বুঝেই শুধু তোমাদের দেখে ধৈর্যধারণ করা, আজকে আমাকে জ্বালানোর জন্য হয়তো তুমি, তোমার মত কয়েকজন আছো,কয়েকদিনের জন্যই। কিন্তু আজীবন নাই। শান্তি এখানেই। তাই এখনো হাসতে পারি, হাসতে জানি।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে