নতুন ফিতনা রামদেব!


মুসলমান গণ সাবধান! যুগে যুগে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে অনেক মুখোশ ধারী লোক বের হয়েছে। তারা সমাজে ভাল সেজে (দৃশ্যতঃ) মূলতঃ মুসলমানদের ক্ষতি করে থাকে তার একটি উদাহরণ কাট্টা হিন্দু করম চাঁদ গান্ধি (ওরফে আপনারা অনেকে তাকে পাপ আত্মা গান্ধি নামে চিনেন) ্। তাকে দেখে ও অনেকের মাথায় আসেনি যে এটি কট্টর হিন্দু ধুতি পরে গায়ে কোন জামা ব্যবহার না করে টিকি রাগিয়ে সম্পূর্ণ হিন্দু রিতীতে চলে সে কি করে মুসলমান দের উপকারে কিছু করতে পারে? একটু ইতিহাস দেখেন সে লেখাপড়া করেছে কোথায়? তার ডাকে সারা দিয়ে মুসলমানরা যখন আন্দোলনে বের হল বা বের করা হল তখন যবন ম্লেচ্ছ হিন্দু গুলো কৌশলে আন্দোলন থেকে সরে পড়ল এবং ইংরেজদের কাছে দেখান হল এরা আন্দোলন রত তাই ইংরেজ বেনিয়ারা মুসলমানদের উপর চড়াউ হল ও তাদের সকলকে চাকুরি চূত করল। এই সুযোগে হিন্দুরা বাবু বনে গেল। তারা ইংরেজদের কাছে ভিড়ে তাদের দেশের আকার বাড়িয়ে নিল আর মুসলমানদের বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলার জন্য তথা ফিতনা জিয়িয়ে রাখার জন্য মুসলিম অধ্যুষিত স্থানকে দুটি আলাদা স্থানে স্বাধীন দেশ বলে স্বীকৃতি দিল।রাশিয়ায় যে সমাজ তন্ত্র (নামে মাত্র) আন্দোলন তার মূল ছিল মুসলমান নিধন। অসংখ্য অগণিত মুসলমাদের সেখানে সমাজ তন্ত্র আন্দোলনের নামে হত্যা করা হয়। মসজিদ গুলোকে বানানো হয় মদ খাবার স্থান বা আস্তাবল।
এখন আমি যে ফিতনা নিয়ে আলোচনা করব তা আমার ধারণা তবে সত্য হওয়া অস্বাভাবিক নয়।  আর সে ফিতন  হল ইন্ডিয়ায় “রামদেব”
কে এই রাম দেব?
পূর্বনাম রাম কৃষ্ণ
সামু ব্লগে একজন ব্লগারের লিখা এবার দেখুন যা আমার লিখার মূল বিষয় টিকে আরো পষ্ট করে দিবে

বছর পনেরো আগে যে যোগী সাইকেলে করে আয়ুর্বেদিক ওষুধ বিক্রিকরতেন, আজ তিনি বিশাল সম্রাজ্যের মালিক। শুধু এ দেশেই নয়, বিদেশেও রয়েছে তাঁর সম্রাজ্য। স্কটল্যান্ডের দ্বীপ, ব্রটেনের হিউস্টনের জমি সেই সম্রাজ্যের অংশ।
আগে সাইকেলে ঘুরে যোগ শেখাতেন, এখন চার্টার্ড বিমানে আসা যাওয়া করেন। বাবা রামদেব নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর সম্পত্তি কিছুতেই ১১০০ কোটি টাকার কম নয়।
১৯৯৫'র দিকেও তিনি মেলায় মেলায় সাইকেলে ঘুরে বেড়াতেন। ২০০০ সালে জ্বালাপুরে প্রথম যোগ শিবির করেন। তাঁর দ্বিতীয় যোগ শিবির হয় কলেজ ময়দানে। তৎকালীন জেলাশাসক সে সময় মন্চে যোগ করেছিলেন।
সেই থেকে যাত্রা শুরু যোগীর। '৯৫ সালের ৫ জানিয়ারি আচার্য বালকৃষ্ণের সংগে যুক্ত হয়ে তিনি তৈরি করেন দিব্যযোগ মন্দির ট্রাস্ট।
তার প্রতিষ্ঠানে আয়োর্বেদিক চিকিৎসকদের কোন ফি নেই। তবে ওষুধ কিনতে হয় চড়া দামে। যেমনঃ -সর্বাধিক বিক্রি হওয়া দিব্যা মুক্তির বুটির দাম ১৯০ টাকা।- চ্যাবনপ্রাস ২০০ টাকা।- কান্তি শ্যাম্পু ৩৫ টাকা।- মুলতানি সাবান ২২ টাকা।- নারকেল তেল ৪২ টাকা।- বডি লোশন ৬০ টাকা।- কেশর বাদাম শরবৎ ৭৫ টাকা।- আমের শরবত ১০০ টাকা।
এখানেই আয়ুর্বেদিক সৎকর্মা ও পন্চমকর্মা চিকিৎসা হয়। সবরকমের প্যাথলজি টেস্ট হয়। রয়েছে এসি গেস্ট হাওজ। সবরকমের সুবিধা সহ লাইব্রেরি। যোগপীঠের পাশেই ঔষধিগাছ সমৃদ্ধ দিব্য হার্বাল পার্ক। এক সংগে কয়েকশো গাড়ি রাখার ব্যাবস্থা। রয়েছে অডিটোরিয়াম। সুন্দর ল্যান্ডস্কিপিং, আরো আছে ঝরনা। এ হচ্ছে ফেজ ওয়ান এর কাহিনি।
আর ফেজটু'র কাজ চলছে। সেখানে জমির যোগের জন্য ২ লক্ষ বর্গফুট এবং ৬০ হাজার বর্গফুট শীততাপ নিয়ন্ত্রিত অডিটোরিয়াম তৈরির কাজ চলছে। ১ হাজার লোকের জন্য তৈরি হচ্ছে ধর্মশালা। ৯৫০ টি এসি ও নন এসি রুম। যোগি ও আয়ুর্বেদিক সামগ্রী বিক্রির জন্য ১১ হাজার বর্গফুট কাউন্টার করা হচ্ছে। পতন্জলি আয়ুর্বেদ কলেজ, পতন্জলি চিকিৎসালায়ের পাশাপশি যোগ ও ধ্যানের জন্য গংগার ধারে পরিবেশ বান্ধব 'যোগ গ্রাম' তৈরি করা হচ্ছে। রয়েছে দুটি গোশালা। রেয়েছে পতন্জলি আয়ুর্বেদ লিমিটেডের মতো অনেক সংস্থা। সর্বোপরি ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে পতন্জলি ফুড আ্যান্ড হার্বাল পার্ক।
হরিয়ানা থেকে খালি হাতে পায়ে এসে শুধু দানের উপর ভিত্তি করেই কীকরে রামদেব আজ এত কোম্পানি ও সংস্থাসহ বিশাল সম্পত্তির মালিক হলেন তা নিয়ে ক্রমশই প্রশ্ন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই রামদেবই যখন কিছুদিন আগে সরকারকে মোকাবেলা করার জন্য সসশ্র বাহিনি গঠন করবেন বলে ঘোষনা দিলেন তাতেও কারো কোন মাথা ব্যাথা দেখা দিল না।
অল্পকিছুদিন আগেই মৃত্য বরণ করলেন সাই বাবা। তার সম্পত্তির উৎপত্তিরও নেই কোন সঠিক তথ্য, তবু তিনি ছিলেন ছোটখাটো এক প্রভু। এমন হাজারো প্রভু বিস্তার পাচ্ছে ভারতের জমিতে।

এই রাম দেবই পাক ভারতে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার কারখানা দেওবন্ধ মাদ্রাসায় কিছু দিন আগে সেখানের মাওলানাদের যোগ ব্যায়াম করিয়েছে এবং তাদের মন্ত্র পাঠ করিয়েছে।
এবার তার কর্মসুচি হল একটি জঙ্গীদল তৈরি করা। সে প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছে। ধীরে ধীরে সে একটি গোষ্টিকে একটি সুনির্দিষ্ট দাগে নিয়ে আসার প্রয়াস করছে এবং সে পাচ্ছে মিডিয়া ব্যাপক সাপর্ট খোদ আমেরিকা তার কর্মসুচিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
সব কিছু দেখে আমি সুধু এ কথাই বলতে পারি রামদেবের বিষয়ে মুসলমানদের সাবধানে পদক্ষেপ নেয়া উচিত নয়ত একদিন এই রামদেব রাম মন্দির মুসলমানদের ঘরে প্রবেশ করিয়ে দিবে -নাউজুবিল্লাহ্ । আল্লাহ্ পাক আমাদের সকল প্রকার ফিতনা হতে হেফাজত করুন। (আমিন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৬টি মন্তব্য

  1. হৃদয়ের প্রশান্তিQashfuLQuluB says:

    ও ভাইজান! Announce আপনে একদম হ্ক্ব কথা বলছেন। আমিও তার সম্পর্কে ঘাটাঘাটি করে এমনই তথ্য পেয়েছি। সবচাইতে বড় কথা সে দেওবন্দী মুসলমান নামধারীদের সাঈবাবা! তার চেলা তাবৎ দেওবন্দী জঙ্গি গং। আসলেই সে পাপাত্নার মতো দেবাত্না সাজতে কারসাজি শুরু করেছে। অতএব সাবধান! তামাম মুসলমান!

  2. সত্যকথনসত্যকথন says:

    তার অনশন মঞ্চ যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উগ্রপন্থী হিন্দু নেতারা ভরে রেখেছিল তা নিয়ে লিখুন। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।

  3. এই মগাদেব না কার নামে জানি নারী কেলেঙ্কারীর খবর ছড়াইল কয়দিন আগে… ঠিক মনে পড়ছে না..। এ-ই হবে সম্ভবত।

    ভাই সাবু ব্লগ আবার কোনটা? চিনিনা তো…

  4. বাংলাদেশে এই রাম(ছাগল)দেবের এজেন্ট রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। তাদেরই গৃহীত কর্মসূচীর মধ্যে একটি হতে পারে ‘মুসলিম ঠাকুর’ নামে চলচিত্রটি যা শিঘ্রই রিলিজ হবে বলে প্রচারণা চলছে।
    মুসলমানদের শুধু সাবধান হলেই চলবেনা, সোচ্চার হতে হবে।

  5. আল্লাহ্ পাক আমাদের সকল প্রকার ফিতনা হতে হেফাজত করুন। (আমিন)

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে