নফল আমলও ফেলনা না!


ভুলতে পারি না!
প্রতি বছর পবিত্র শবে মিরাজ আসলেই মনে পরে।ভালো ঝারাঝারির মধ্যে পরতে হয়েছিলো…ঝারাঝারি একপক্ষ থেকেই হয়েছিল অবশ্য!
ঘাবড়ে গিয়েছিলাম খুব।পরিস্থিতি এতো প্রতিকূল বুঝতেই পারি নাই!
ঘটনা হচ্ছে,একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,”শবে মিরাজ তো,রোযা রাখবেন না?”
প্রশ্ন করা মাত্রই ব্যক্তি ভয়ানক ক্ষেপে গেলো!
“এটা ফরজ ,ওয়াজিব কিছু না।আমরা কম জানি না।আমার বাবাও আলিম ছিলো…”
আরো কি জানি একগাদা কথা,একটা দুঃস্বপ্ন! আমি মুহুর্তের জন্য পুরোই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম…
ভাবতেই পারি নাই মানুষ রোযা রাখা নিয়েও এমন করতে পারে…
অথচ এরাও কিনা মুসলমানই!
একটা ছোট্ট নেক আমল,যা আপনার রব তায়ালা তুচ্ছ মনে করেন না বরং সযত্নে লালন করেন সেই নেক আমলই কিনা এক নগণ্য তুচ্ছ বান্দা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে!নাঊযুবিল্লাহ!
ভাবা যায়!!!!!?
মহান আল্লাহ পাক বলেন,তিনি অনু পরিমাণ নেক আমলেরও বদলা দান করবেন।অথচ কোন জায়গার কোন ফুটপাতের লোকগুলা মানুষকে নেক আমল থেকে বিরত রেখে বলে,”এটাতো নফল”!
নফল আমল কি করা নিষেধ????
ধরেই নিলাম,কেউ ফরয আমল করে না। তো?
এজন্য নফল আমল করলে সে আমল বরবাদ এটা কে বললো????
তাকে উৎসাহিত করুন না,শুরুতো করতে দিবেন…
যাইহোক,কোনো আমলকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে নেই,তা যত ক্ষুদ্রই হোক না কেনো!
একটা ক্ষুদ্র বদ আমলও জাহান্নামী করতে পারে…
আবার একটা ক্ষুদ্র নেক আমলও জান্নাতে যাওয়ার কারণ হতে পারে…
সুতরাং,শবে মিরাজের রোযা-এতো ফরয,ওয়াজিব না! এভাবে বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে নিজেকেই গুনাহগার করবেন না প্লিজ…
আপনি রোযা না-ই রাখতে পারেন কিন্তু আরেকজনকে তো বাধা দিতে পারেন না!
যে নেকীতে বাধা দেয় সেতো ইবলিশ!
সুতরাং সাবধান থাকুন,নেকী ও পরহেজগারীতে সহায়তা করুন আর এটাই এ উম্মতের দায়িত্ব।
মহান আল্লাহ পাক যেন সকলকে পবিত্র ২৭ শে রজবুল হারাম শরীফের দিন রোযা রাখার এবং মহিমান্বিত দিন মুবারকের হক্ব আদায় করার তৌফিক দান করেন।
আমীন।
 dsd
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে