নববর্ষ পালনকারীরা কাট্টা গুমরাহ


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯)
আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে জাতি যার সাথে মিল মুহব্বত রাখবে তার হাশর-নশর ঐ জাতির সাথেই হবে।”
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যদি কোনো মুসলমান পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নিয়ম-নীতি, তর্য-তরীক্বা ব্যতীত ইহুদী, মুশরিক, বিধর্মী ও নাস্তিকদের নিয়ম-নীতি, তর্য-তরীক্বা গ্রহণ করে, যেমন- হারাম পহেলা বৈশাখ পালন করে, তবে তারা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে মুরতাদে পরিণত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! ঐ দিন কেউ যদি পঁচা পান্তা, ইলিশ ভাজা ইত্যাদি খায় ও নতুন কাপড় পরে, হারাম গান-বাজনা, মিটিং-মিছিল করে ও দুনিয়াদার আলিমরা তাদের সাথে দুনিয়া হাছিলের উদ্দেশ্যে দোয়া ও মুনাজাতের মাহফিল করে অর্থাৎ হারাম পহেলা বৈশাখকে সদমর্থন করে, তবে বুঝতে হবে- ওরা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে মুরতাদ হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!
আর মুরতাদের শাস্তি হলো তাকে ৩ দিনের সময় দেয়া হবে তওবা করার জন্য। যদি তওবা করে আলহামদুলিল্লাহ! আর যদি তওবা না করে তবে খিলাফত কায়িম থাকলে তাকে মৃত্যুদ- দিতে হবে। তার ওয়ারিছস্বত্ব বাতিল হয়ে জিন্দেগীর সব নেক আমল বরবাদ হয়ে যাবে। পবিত্র হজ্জ করে থাকলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে। বিয়ে করে থাকলে স্ত্রী তালাক হবে। যদি সে মারা যায় তবে মুসলমান উনাদের ন্যায় দাফন-কাফন ও জানাযার নামায পড়ানো যাবে না। তাকে কুকুর শৃগালের মতো মাটিতে পুঁতে রাখতে হবে। আর যদি কেউ দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করে এবং জানাযার নামায পড়ায় তবে তার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের উপর মুরতাদের হুকুম বর্তাবে। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে বেদ্বীন-বদদ্বীনদের নিয়ম-নীতি তর্জ-তরীক্বা ছেড়ে দিয়ে আখাছুল খাছভাবে মুসলমান উনাদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা মুতাবিক আমল করার তাওফীক দান করেন। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর এবং মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।”
সুতরাং আমরা যেন সকলেই উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মিছদাক হতে পারি। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে