নবাজাতক শিশুকে তাহনীক করানো সুন্নত। সুবহানাল্লাহ!


 

باب تَسْمِيَةِ الْمَوْلُودِ غَدَاةَ يُولَدُ، لِمَنْ لَمْ يَعُقَّ عَنْهُ، وَتَحْنِيكِهِ حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي بُرَيْدٌ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى ـ رضى الله عنه ـ قَالَ وُلِدَ لِي غُلاَمٌ، فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَسَمَّاهُ إِبْرَاهِيمَ، فَحَنَّكَهُ بِتَمْرَةٍ، وَدَعَا لَهُ بِالْبَرَكَةِ وَدَفَعَهُ إِلَىَّ، وَكَانَ أَكْبَرَ وَلَدِ أَبِي مُوسَى‏.‏

অর্থঃ আবূ মূসা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে আমি তাকে নিয়ে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার কাছে গেলাম। তিনি উনার নাম রাখলেন ইবরাহীম। তারপর খেজুর চিবিয়ে উনার মুখে দিলেন এবং উনার জন্য বরকতের দুআ করে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি ছিলেন আবূ মূসা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার বড় সন্তান।[বুখারী শরীফ,(ইফাবা)হাদীছ নং- ৫০৭১]

باب تَسْمِيَةِ الْمَوْلُودِ غَدَاةَ يُولَدُ، لِمَنْ لَمْ يَعُقَّ عَنْهُ، وَتَحْنِيكِهِ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهَا حَمَلَتْ بِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ بِمَكَّةَ قَالَتْ فَخَرَجْتُ وَأَنَا مُتِمٌّ، فَأَتَيْتُ الْمَدِينَةَ فَنَزَلْتُ قُبَاءً فَوَلَدْتُ بِقُبَاءٍ، ثُمَّ أَتَيْتُ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَوَضَعْتُهُ فِي حَجْرِهِ، ثُمَّ دَعَا بِتَمْرَةٍ فَمَضَغَهَا، ثُمَّ تَفَلَ فِي فِيهِ فَكَانَ أَوَّلَ شَىْءٍ دَخَلَ جَوْفَهُ رِيقُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ حَنَّكَهُ بِالتَّمْرَةِ، ثُمَّ دَعَا لَهُ فَبَرَّكَ عَلَيْهِ، وَكَانَ أَوَّلَ مَوْلُودٍ وُلِدَ فِي الإِسْلاَمِ، فَفَرِحُوا بِهِ فَرَحًا شَدِيدًا، لأَنَّهُمْ قِيلَ لَهُمْ إِنَّ الْيَهُودَ قَدْ سَحَرَتْكُمْ فَلاَ يُولَدُ لَكُمْ‏.‏

অর্থঃ আসমা বিনত আবূ বকর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনাকে মক্কায় গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেনঃ গর্ভকাল পূর্ণ হওয়া অবস্থায় আমি বেরিয়ে মদিনায় আসলাম এবং কুবায় অবতরণ করলাম। কুবাতেই আমি উনাকে প্রসব করি। তারপর উনাকে নিয়ে রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার কাছে এসে উনাকে উনার কোল মুবারকে রাখলাম। তিনি একটি খেজুর আনতে বললেন। তা চিবিয়ে তিনি উনার মুখে দিলেন। রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার এই নুরুল বারাকাত(থুথু মুবারক) সর্ব প্রথম উনার পেটে প্রবেশ করল। তারপর তিনি খেজুর চিবিয়ে তাহনীক করলেন এবং উনার জন্য বরকতের দু’আ করলেন। (হিজরতের পরে) ইসলামে তিনিই ছিল প্রথম জন্মগ্রহনকারী। তাই উনার জন্য মুসলিম উনারা অতন্তে খুশী হয়েছিলেন কারন, উনাদের বলা হতো ইহুদীরা তোমাদের যাদু করেছে তাই তোমাদের সন্তান হয় না।[বুখারী শরীফ,(ইফাবা)হাদীছ নং- ৫০৭৩]

 

باب تَسْمِيَةِ الْمَوْلُودِ غَدَاةَ يُولَدُ، لِمَنْ لَمْ يَعُقَّ عَنْهُ، وَتَحْنِيكِهِ حَدَّثَنَا مَطَرُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ كَانَ ابْنٌ لأَبِي طَلْحَةَ يَشْتَكِي، فَخَرَجَ أَبُو طَلْحَةَ، فَقُبِضَ الصَّبِيُّ فَلَمَّا رَجَعَ أَبُو طَلْحَةَ قَالَ مَا فَعَلَ ابْنِي قَالَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ هُوَ أَسْكَنُ مَا كَانَ‏.‏ فَقَرَّبَتْ إِلَيْهِ الْعَشَاءَ فَتَعَشَّى، ثُمَّ أَصَابَ مِنْهَا، فَلَمَّا فَرَغَ قَالَتْ وَارِ الصَّبِيَّ‏.‏ فَلَمَّا أَصْبَحَ أَبُو طَلْحَةَ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ ‏”‏ أَعْرَسْتُمُ اللَّيْلَةَ ‏”‏‏.‏ قَالَ نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏”‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمَا ‏”‏‏.‏ فَوَلَدَتْ غُلاَمًا قَالَ لِي أَبُو طَلْحَةَ احْفَظْهُ حَتَّى تَأْتِيَ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَرْسَلَتْ مَعَهُ بِتَمَرَاتٍ، فَأَخَذَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏”‏ أَمَعَهُ شَىْءٌ ‏”‏‏.‏ قَالُوا نَعَمْ تَمَرَاتٌ‏.‏ فَأَخَذَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَمَضَغَهَا، ثُمَّ أَخَذَ مِنْ فِيهِ فَجَعَلَهَا فِي فِي الصَّبِيِّ، وَحَنَّكَهُ بِهِ، وَسَمَّاهُ عَبْدَ اللَّهِ‏.‏

অর্থঃ আনাস ইবনু মালিক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার এক ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়লো। আবূ তালহা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বাইরে গেলেন তখন ছেলেটি ইন্তেকাল করলো। আবূ তালহা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ছেলেটি কি করছে? উম্মে সুলায়ম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা বললেনঃ তিনি আগের চাইতে শান্ত। তারপর উনাকে রাতের খাবার দিলেন। তিনি আহার করলেন। তারপর উম্মে সুলায়ম রদ্বিয়াল্লাহু আনহা উনার সাথে নির্জন বাস করলেন।  নির্জন বাস শেষে উম্মে সুলায়ম রদ্বিয়াল্লাহু আনহা বললেনঃ ছেলেটিকে দাফন করে আসুন। সকাল হলে আবূ তালহা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  উনার কাছে এসে উনাকে এ ঘটনা বললেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ গত রাতে আপনি কি স্ত্রীর সঙ্গে অবস্থান মুবারক করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! তাদের জন্য আপনি বরকত দান করুন।

কিছু দিন পর উম্মে সুলায়ম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করলো (রাবী বলেনঃ) আবূ তালহা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন, তাকে  আপনি দেখাশোনা করুন যতক্ষণ না আমি উনাকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে নিয়ে যাই। তারপর তিনি তাকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে নিয়ে গেলেন। উম্মে সুলায়ম রদ্বিয়াল্লাহু আনহা সাথে কিছু খেজুর দিয়ে দিলেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে (কোলে) নিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন উনার সাথে কিছু আছে? উনারা বললেন হ্যাঁ, আছে। তিনি তা নিয়ে চর্বণ করলেন তারপর মুখ মুবারক থেকে বের করে বাচ্চাটির মুখে দিলেন। তিনি এর দ্বারাই উনার তাহনীক করলেন এবং উনার নাম রাখলেন আবদুল্লাহ।[বুখারী শরীফ,(ইফাবা)হাদীছ নং- ৫০৭৪]

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে