নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে।
যেমন,
হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহপাক আদেশ মুবারক করেছেন, হে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম! রূহসমুহকে “শারাবান তহ্বরা”পাত্রের নিকট শ্রেনীবদ্ধ করুন। হে হযরত রিদ্বওয়ান আলাইহিস সালাম!জান্নাতের নবোদ্ভিন্না যুবতীগন উনাদেরকে নতুন সাজে সজ্জিত করুন। আর পবিত্র মেশকের সুগন্ধি ছড়িয়ে দিন।সারা মাখলুকাতের যিনি শ্রেষ্টতম রসুল, ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক আর্বিভাব উপলক্ষে। বিছিয়ে দিন নৈকট্য ও মিলনের জায়নামায সেই মহানতম রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য, যিনি অধিকারী নুরের, উচ্চ মর্যাদার এবং মহা মিলনের।

হে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম! দোযখের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতা হযরত মালিক আলাইহিস সালাম উনাকে আদেশ করুন তিনি যেনো দোযখের দরজাসমুহ বন্ধ করেন। জান্নাতের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতা হযরত রিদ্বওয়ান আলাইহিস সালাম উনাকে বলুন তিনি যেন জান্নাতের দরজা সমুহ উম্মুক্ত করেন। হে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম!হযরত রিদ্বওয়ান আলাইহিস সালাম উনার অনুরূপ পোষাক পরিধান করুন, এবং জমীনের বুকে গমন করুন সুসজ্জিত হয়ে কাছের ও দুরের সকল ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সহকারে। অত:পর আসমান-যমীনের চারপাশে ঘোষনা দিন, সময় ঘনিয়ে এসেছে, মুহিব ও মাহবুবের মিলনের,ত্বালিব ও মাত্বলুবের সাক্ষাতের। অর্থাৎ মহান আল্লাহপাক উনার সাথে উনার হাবীবে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার যে মি‘রাজ হবে তার সময় নিকটবর্তী হলো উনার বরকতময় বিলাদত শরীফ-এর মাধ্যমে।
(সুবহানাল্লাহ)
অত:পর হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি হুকুম বাস্তবায়ন করলেন, যেমনটি আল্লাহপাক জাল্লাশানুহ তিনি হুকুম করলেন। এক জামায়াত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মক্কা শরীফ উনার পাহাড়ে দায়িত্ব দিলেন। উনারা হারাম শরীফ উনার দিকে নজর রাখলেন। উনাদের পাখা সমুহ যেনো সুগন্ধিযুক্ত সাদা মেঘের টুকরা। তখন পাখিসমুহ তাসবীহ পাঠ করলে লাগলো। এবং উম্মুক্ত প্রান্তরে বনের পশুগুলো সহানুভুতির ডাক, আশার ডাক দিতে লাগলো। এ সবকিছুই সেই মহান মালিক জলীল জাব্বার মহান আল্লাহপাক রব্বুল আলামীন উনার আদেশ মুতাবিক হলো।
(সুবহানাল্লাহ্)
যিনি সৃষ্টির মূল উনার জন্য মহান আল্লাহপাকের আয়োজন থাকবে না , তা কি করে হয়? উম্মত হতে পারার খোশ নসীব অর্জন হওয়ার কারণে আমাদের উচিত, শাহীদুন্নবী, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফকে নিয়ামত মনে করে, অবশ্যই উক্ত দিনে ঈদ পালন করা। এ ঈদ পালন অবশ্যই উম্মতের অন্যান্য আমল হতে উত্তম।
(সুবহানাল্লাহ্)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে