“নবী দর্শন” নামক গল্পের কুফরী বক্তব্যের সংশোধন চাই


‘ক্বদমবুছী’ বা ‘পদচুম্বন’ খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত ওয়াযে ইবনে যারে রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা আব্দুল কায়েছ গোত্রে থাকা অবস্থায় যখন পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আসতাম, তখন আমরা সাওয়ারী হতে তাড়াতাড়ি অবতরণ করে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাত মুবারক ও পবিত্র ক্বদম মুবারক উনাতে বুছা দিতাম।” সুবহানাল্লাহ! (অনুরূপ বযলুল মাজদাহ জি: ৬, পৃ: ৩২৮, ফতহুল বারী জি: ১১, পৃ: ৫৭, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ জি : ৭, পৃ: ৮০, এলাসি সুনান জি: ১৭, পৃ: ৪২৬ ইত্যাদি কিতাবসমূহে উল্লেখ আছে)
অথচ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্য বইয়ে এস ওয়াজেদ আলী রচিত “নবী দর্শন” নামক গল্পে লিখিত- ‘আমার উম্মত কারো পদ চুম্বন করে না, আমারও না। এসো বৎস আলিঙ্গন করি।’ নাউযুবিল্লাহ! যা সরাসরি ক্বদমবুছী তথা খাছ সুন্নত উনার আমলকে অস¦ীকার করা এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যারোপ করা। নাউযুবিল্লাহ!
স্মরণীয় যে, সুন্নত উনাকে অস¦ীকার করা এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যিারোপ উভয়ই জাহান্নামী হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
তাই আমরা ৯৭ ভাগ মুসলমান সরকারের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে এই কুফরী বক্তব্যের সংশোধন চাই।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+