নামায, রোযা, বেহেশত, দোযখ, ফেরেশতা এ শব্দগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ-এ খুঁজলে যদি পাওয়া না যায়, তবে শবে বরাত কী করে পাওয়া যাবে?


সম্প্রতি দেশের কিছু পত্র-পত্রিকা খুললে দেখা যায় যে, কিছু তথাকথিত মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা লিখে থাকে যে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের কোথাও শবে বরাত নেই। নাউযুবিল্লাহ!

তথাকথিত এসব মালানা, মুফতী এরা চরম মূর্খ তথা উলামায়ে ‘সূ’। কারণ ‘শব’ হলো ফারসী শব্দ। যার অর্থ রাত আর ‘বরাত’ আরবী শব্দ যার অর্থ ভাগ্য অর্থাৎ ভাগ্যের রজনী। তাহলে কী করে কুরআন শরীফ-এ লাইলাতুল বরাত শব্দ থাকতে পারে? পবিত্র কুরআন শরীফ-এ রয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষায় হলো- ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান।’ আশাদ্দুদ দরজার জাহিল, প্রতারক, মিথ্যাবাদী, মুনাফিক উলামায়ে ‘সূ’- এরা এতই মূর্খ যে এদের পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে সামান্য জ্ঞানও নেই!

উল্লেখ্য নামায, রোযা, বেহেশত, দোযখ, ফেরেশতা এগুলো ফাষী ভাষার শব্দ হওয়ায় পবিত্র কুরআন শরীফে যেমন পাওয়া যাবেনা। ঠিক একইভাবে ‘শবে বরাত’ ফাষী হওয়ায় এটাও সরাসরি কুরআন শরীফে এবং হাদীছ শরীফে পাওয়া যাবে না।

সুতরাং মুসলমান উনাদের একান্ত দায়িত্ব-কর্তব্য হলো এ সমস্ত প্রতারক, বালহুম আদল, উলামায়ে ‘সূ’দেরকে দৃঢ় হস্তে দমন করা এবং এদেরকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করা। এদের ধোঁকা থেকে বেঁচে থেকে পবিত্র লাইলাতুল বরাতে ইবাদত-বন্দেগী করে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে