নারীদের উপর যুলম নির্যাতন বন্ধ হবে ॥ তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে; যদি তারা হাক্বীক্বী পর্দা করে!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। যখন তারা বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান উঁকি-ঝুকি দিতে থাকে কীভাবে তাদের দ্বারা পাপ কাজ সংঘটিত করা যায়।”
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে যা বলা হয়েছে, মহিলারা যদি বেপর্দা হয়ে চলা-ফেরা করে তাহলে তাদের দ্বারা শয়তান পাপ কাজ সংঘটিত করাবে। এখন তো তাই দেখা যাচ্ছে। মহিলারা পর্দা না করার কারণে তাদের দ্বারা পাপ কাজ সংঘটিত হয়। ঘরে ঘরে সমস্ত ফিতনা-ফাসাদ পর্দা না করার কারণেই হচ্ছে। আবার তাদের উপর নির্মম যুলুম-নির্যাতনও করা হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশেই নয়; বরং সারা পৃথিবীতে শুধুমাত্র পর্দা না করার কারণেই সমস্ত ফিতনা ফাসাদ। নাউযুবিল্লাহ!
যদিও কয়েকজন বোরকা পরে, তাকে বোরকা না বললেই চলে। কারণ এই বোরকাগুলো এমন যে- তাদের শর্ট জামার চেয়েও শর্ট, যা শরীরের সাথে মিশে থাকে। আর তাদের মুখ অথবা চোখ খোলা থাকে। কিন্তু বলা হয়েছে- বোরকা হবে এমন যা দ্বারা কিছুই বোঝা যাবে না; আপাদমস্তক ঢেকে থাকবে। যেহেতু নারীর সমস্ত কিছুই সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ হাক্বীক্বী পর্দা করতে হবে। এই যে হাক্বীক্বী পর্দা- যা করলে তারা সম্মানের সাথে যমীনের বুকে চলতে পারবে; তারা কোনো যুলুম নির্যাতনের সম্মুখীন হবে না; তা যমীনের বুকে আর কোথাও দেখা যায় না; একমাত্র ঢাকা-রাজারবাগ দরবার শরীফ ব্যতীত। এখানেই একমাত্র হাক্বীক্বী পর্দা করা হয়। এই মুবারক স্থানে আসা ব্যতীত কোনো নারীই হাক্বীক্বী পর্দা করতে এবং শিখতে পারবে না। তাই সারা বিশ্বের সকল নারীদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরফে এসে যিনি নারীদের মুক্তির দিশারী উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবতে এসে হাক্বীক্বী পর্দা শিখে এবং করে আল্লাহওয়ালী হওয়া।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে অর্থাৎ সমস্ত নারীদেরকে সেই মুবারক তাওফীক দান করেন। (আমীন)

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে