নারীদের ‘সমধিকার


আফসুস! নারীদের ‘সমধিকার’ সম্পর্কেই নারী সমাজ আজ সজাগ নয়! ‘সমধিকার’ শব্দের অর্থটাই তারা বুঝতে পারে না। তথাকথিত নারীরা মনে করে, সমধিকার বলতে একজন পুরুষ যা করতে পারে একজন নারী তাদের পাশে থেকে তাই করবে। বরং তাদের এ ধারণাই ভুল, মিথ্যা এবং ধোঁকাপূর্ণ।
‘সমধিকার’ বলতে এটাই বুঝানো হয়, যার যা অধিকার রয়েছে সেটা পরিবারেরই হোক আর সমাজেরই হোক না কেন; তার অধিকারগুলোই তার নিজস্ব গুণাবলীতে বা বৈশিষ্ট্যে বাস্তবায়ন করা। তার মানে এই নয় যে, নারী-পুরুষ এক সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একত্রে কাজ করবে অথবা পুরুষ যা করে নারীও তাই করবে! তাদের এ কথার বা দাবির ফলশ্রুতিতে যা হয়-
নারীকে বেপর্দা হতে হয়। আর যখনই বেপর্দা হয়; হাদীছ শরীফ মুতাবিক তখন শয়তান পাপে লিপ্ত করার জন্য উঁকি-ঝুঁকি দিতে থাকে।
দ্বিতীয়ত: হাদীছ শরীফ-হতে জানা যায়, দু’জন নারী-পুরুষ একাকী থাকলে তৃতীয় সঙ্গী হয় শয়তান। ফলে শুরু হয় ফিতনা-ফ্যাসাদ। পুরুষের দ্বারা নারী লাঞ্ছিত এবং সম্ভ্রমহানির শিকার হয়ে থাকে। ফলে একজন নারী নিজেই শুধু পাপিষ্ঠ হয়না অন্যকেও তার সাথে পাপিষ্ঠ করে। নিজেই পরিবারে, সমাজে হেয়-ঘৃণিত হয়। আবার অপর জনকেও একই অবস্থার সম্মুখীন করে। মাঝখান থেকে ফায়দাটা হয় কার? ফায়দা হয় খোদ ইবলিস শয়তানের। সে হাতে তালি দিয়ে লাফাতে থাকে আর খুশি প্রকাশ করতে থাকে। নারীদের অধঃপতিত অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবন দেখে শয়তান আত্মতৃপ্তি লাভ করে। কলুষিত জীবন নারীকে দুনিয়ায় যেমন লাঞ্ছিত করে পরকালেও নিজেকে এবং তার সাথে সম্পৃক্ত পুরুষ, স্বামী, মা-বাবা সবাইকে জাহান্নামী করে।
আর সে জন্যই কালের বিভীষিকায় অন্ধকারাচ্ছন্ন ‘নারী দিবসে’ সমধিকারের এই ধ্যান-ধারণাই সকলকে ত্যাগ করতে হবে। তবেই যদি ‘সমধিকার’ প্রতিষ্ঠা হয়, নারীদের মুক্তি আসে। নচেৎ কোন দিনও নারী মুক্তি সম্ভব নয়।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে