নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” নাউযুবিল্লাহ!
অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে আনে। তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ব্যাপারে আক্বীদা অশুদ্ধির কারণে জাহিলিয়াত যুগের কাফির-মুশরিকরা এই ‘নাসীর’ আশ্রয় নিয়েছিল। নাউযুবিল্লাহ!
মূলত, জাহিলিয়াত যুগে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে কাফির-মুশরিকরা অশুভ ও কুলক্ষণে মনে করতো। এ আক্বীদা বিশ্বাস তাদের অন্তরে বদ্ধমূল ছিল যে, সর্বপ্রকার আপদ-বিপদ, বালা-মুছীবত, রোগ-শোক, মহামারি এ পবিত্র ছফর শরীফ মাসেই আগমন করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ!
ফলে এ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে ঘিরে তাদের নানা প্রকার ভ্রান্ত আক্বীদা এবং কুসংস্কারমূলক কর্মকা-ের সূত্রপাত হয়। তাই তারা সুবিধানুযায়ী, খেয়াল-খুশির প্রেক্ষিতে এ মাসটি আগে-পিছে করতো। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত তথা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র ছফর শরীফ মাসে কোনো কুলক্ষণ ও অশুভ বলতে কিছু নেই। বরং ছফর মাস একটি পবিত্র মাস। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ, অকল্যাণে বা কুলক্ষণ বলা যেমনিভাবে কুফরী, তেমনিভাবে নাসী তথা মাস, দিন, তারিখ ও সময়কে আগ-পিছ করাও কুফরী।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে