নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচীর কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা 


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার মানসপটে যেকোনো বিষয় খুব সহজে রেখাপাত করে। ফলে শৈশব থেকেই মুসলিম শিশুর মানসপটে যদি মহান আল্লাহ পাক উনার পরিচয় ও মাহাত্ম্য এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের, হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সুমহান আদর্শ-আখলাকের চিত্র অঙ্কন করে দেয়া যায় এবং শিশুর কচি মনে ঈমানী চেতনা ও মূল্যবোধের বীজ বপন করা যায়, তাহলে সারা জীবন তা তাদের অন্তরে সর্বদা বিরাজমান থাকবে।
এরপর যখন বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দ্বীনী বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করবে, তখন এ বিষয়টি তাদের অন্তরে আরো দৃঢ় ও বদ্ধমূল হবে। পরিণত বয়সে এই ঈমানী চেতনা তাদেরকে রক্ষা করবে দুর্নীতি ও অনিয়ম থেকে। অনৈতিকতা ও অসামাজিকতার দ্বারা সমাজ-জীবন কলুষিত হবে না। মোটকথা, বর্তমান কলুষিত অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্বীনী প্রেরণাধর্মী ও আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। যে ব্যবস্থায় দ্বীনী শিক্ষা ও মূল্যবোধকে প্রধান রেখে অন্যান্য জাগতিক ও বৈষয়িক বিষয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক শিক্ষার সমন্বয় সাধন করা হবে।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে